256516

জরুরি অবস্থাতেই যাবেন ট্রাম্প!

ডেস্ক রিপোর্ট।। মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণের অর্থ না পেলে জরুরি অবস্থা ঘোষণার ইঙ্গিত দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ছাড়া প্রাচীন নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যকার আলোচনাকে ‘সময়ের অপচয়’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক টাইমসে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। থোক বরাদ্দের অভাবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারে সবচেয়ে লম্বা সময় ধরে আংশিক অচলাবস্থা তৈরি হয়। কয়েক দিন আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প থোক বরাদ্দে অনুমোদন দেওয়ায় সাময়িকভাবে সেই সংকটের অবসান ঘটে। কিন্তু আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি নতুন বাজেট নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট আইন প্রণেতাদের মধ্যে সমঝোতা না হলে আবার অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে। এই অচলাবস্থার মূলে রয়েছে ট্রাম্পের ৫৭০ কোটি ডলারের দাবি। মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণের জন্য এ অর্থ চান তিনি। কিন্তু পার্লামেন্টে ডেমোক্র্যাটরা এ অর্থে অনুমোদন দিতে রাজি নন। তাদের যুক্তি, এটা নীতিবহির্ভূত এবং অপ্রয়োজনীয়। আর এ নিয়েই ট্রাম্পের রিপাবলিকান ও বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে দেনদরবার চলছে।

কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেমোক্র্যাটদের অনুমোদন ছাড়া ওই ৫৭০ কোটি ডলার পেতে ট্রাম্পের সামনে একটি রাস্তাই খোলা রয়েছে। সেটি হলো, জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা। জরুরি অবস্থা ঘোষণা হলে পার্লামেন্টের অনুমোদন ছাড়াই প্রেসিডেন্ট একক ক্ষমতাবলে যেকোনো বরাদ্দের অনুমোদন দিতে পারেন। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক টাইমসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই ইঙ্গিতই দেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি প্রাচীর নির্মাণের কাজ এগিয়ে নেবই। আমরা যেভাবেই হোক এ কাজ সম্পন্ন করব।’ এ বিষয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট আইন প্রণেতাদের মধ্যকার আলোচনাকে ‘সময়ের অপচয়’ হিসেবেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে ওভাল অফিসে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দুই পক্ষের আইন প্রণেতারা আলোচনায় বসবেন। সেখানে প্রাচীর নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ না থাকলে আমি তা গ্রহণ করব না। প্রাচীর নির্মাণ ছাড়া কোনো কাজই হবে না। তারা কী বলতে চায়, আমি তা শুনবও না। কারণ আমার কাছে তা সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।’

নিউ ইয়র্ক টাইমসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির সমালোচনাও করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে কি, আমি এত দিন তাঁকে নিজের সঙ্গী ভাবতাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, আমার পাশে কেউ নেই। আমার মতে, তিনি দেশের অনেক বড় ক্ষতি করেছেন।’ উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার পেলোসি সাংবাদিকদের বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তাবিষয়ক প্রস্তাবিত নীতিমালায় প্রাচীর নির্মাণের কোনো অর্থ রাখা হয়নি। উৎস : বিবিসি, সিএনএন।

ad

পাঠকের মতামত