শিক্ষনীয় গল্প: আমি রূপবতী নই, কিন্তু জানেন এত ইচ্ছা করে যেন পুরুষেরা আমাকে দেখেই পাগল হয়ে যায়!
পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছিল একটি জাদুকর । হঠাৎ তার চোখে পড়ল একটি যুবতি মেয়ে কাঁদছে। তাই দেখে জাদুকর বলল- আপনাকে কোন ভাবে সাহায্য করতে পারি ? মেয়েটিঃ আমাকে সাহায্য করতে পারে শুধু অলৌকিক কোন ঘটনা ! জাদুকরঃ অলৌকিক ঘটনা ! এ তো আমার আওতায় । আমি জাদুকর, আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরন করতে পারব । বলুন এক-এক করে । মেয়েটিঃ আমি রূপবতী নই। কিন্তু জানেন এত ইচ্ছা করে যেন পুরুষেরা আমাকে দেখেই পাগল হয়ে যায় ! জাদুকর তার একটি দাড়ি ছিরে তার মন্তর পরতে লাগল। সাথে-সাথে মেয়েটি প্রথম ইচ্ছা পূরন হয়ে গেল। সে রুপে রুপবতী হয়ে গেল। তার পরের ইচ্ছা বলার জন্য বলা হল।
মেয়েটি বলল- শুধু সৌন্দর্য দিয়ে কি হবে ! আমার অর্থ সম্পদ নেই, নেই নিজের বাড়ী । আমাকে কে পছন্দ করবে ? জাদুকর তার জন্য শহরের মাঝখানে একটি রাজপ্রাসাদ বানিয়ে দিল । এবার শেষ ইচ্ছার পালা । মেয়েটি কে বলা হল তার শেষ ইচ্ছার কথা বলতে । এবার মেয়েটি ভাবতে লাগল এই জাদুকর কে যদি আমি বিয়ে করি তাহলে আমি ৩ টি জিনিস কেন সারা জীবন যত খুশি চেয়ে নিতে পারব । এবার মেয়েটি বলল- আমার শেষ ইচ্ছা তোমায় আমি বিয়ে করব । এ কথা শুনে জাদুকর পরল মহা বিপদে কিন্তু কি করবে তার ইচ্ছা পূরন করতে সে তাকে বিয়েই করল ।
এবার মেয়েটি বলল- আমাকে সোনার গহনা দিয়ে রাজকন্যা বানিয়ে দাও। জাদুকরঃ আমি তো আর পারব না কারন আমার জাদু ছিল সীমিত । প্রতি ৫ বছর পর পর আমি আমার নিজের জন্য না, মানুষের তিনটি ইচ্ছা পূরন করতে পারি । মেয়েটি রেগে গিয়ে জাদুকরের দাড়ি ধরে এমন একটি টান দিল যার কারনে জাদুকর তার জাদু চিরতরে হারিয়ে একে বারে মরার পথে । মেয়েটিঃ হারামজাদা এ কথাটি বিয়ের আগে বললিনা কেন ? এবার তুই মর, আমি আমার মত একটি রাজপুত্র কে বিয়ে করে সুখে থাকব।
ততখ্যনে জাদুকরটি মারা গেল । যেই জাদুকরটি মারা গেল তার সাথে সাথে মেয়েটি আবার তার আগের অবস্থা হয়ে গেল। এখন মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বলল- হায় যা ছিল তাই তো ভাল ছিল, বেশী খেতে গিয়ে কম ও জুটল না । অতএব: কথায় আছে লোভে পাপ পাপে মৃত্যু।




