246154

‘২০৩০ সালে বাংলাদেশ খেলবে বিশ্বকাপ ফুটবল’

বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির আনন্দকর তার মধ্যে খেলাধুলোকে নিঃসন্দেহে ধরা যেতে পারে বিনোদনের একটি বিশেষ অংশ মানবজাতির জন্য। ফুটবল নিশ্চিত সব খেলার মধ্যে শ্রেষ্ট খেলা।মানব সভ্যতার ইতিহাস বলে, আদিকাল থেকে খেলার ওপর মানুষের রয়েছে মানসিক দুর্বলতা। তাইতো খেলাধুলোর প্রতি সারা পৃথিবীর রয়েছে ভালোবাসা। আজ থেকে ৩৫ বছর আগে বন্ধু সামসুদ্দিন সুমি আর আমি ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল ও কলেজে এক সঙ্গে পড়েছি তারপর আমরা দেশ ছেড়ে পরবাসে পাড়ি দিয়েছি।সামসুদ্দিন চীন দেশ পরে হংকং শেষে প্রাণ প্রিয় বাংলাদেশে আর আমি সেই ছেড়েছি বাংলাদেশ আর ফিরে আসা হয়নি তাই এত বছরের গ্যাপ। আমি বাংলাদেশের সঙ্গে দূর হতে ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছি নানা ভাবে।

দেশের শিক্ষার চরম অবনতির সময় কলম ধরেছি সুশিক্ষার ওপর। বিশেষ করে বিশেষায়িত শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর জোর দিয়েছি এবং নানাভাবে নানা পত্রিকাতে লিখালিখির সঙ্গে ধর্মীয় দিকটাও বিশেষ করে তুলে ধরতে নজর পড়েছিল বন্ধু সামসুদ্দিনের ছোট্ট একটি ভিডিও যেখানে সে কোরআন শিক্ষা প্রশিক্ষণের ওপর বেশ জোর দিয়েছে।সেই থেকে শুরু দুই বন্ধুর সমন্বয় শিক্ষার পরিবর্তনে। কিভাবে শিক্ষা কি শিক্ষা কেন শিক্ষা ইত্যাদি ইত্যাদি। কোন চেষ্টাই যখন সঠিক পথ দিল না তখন দুজনার ভাবনায় উদয় হলো সুশিক্ষা পেতে হলে দরকার খেলাধুলার সমন্বয় ঘটানো।শুধু খেলাধুলো হলে হবে না। ১৬ কোটি বাঙ্গালীর দেশ বাংলাদেশ যেখানে সবাই ফুটবল খেলা দেখতে পাগল। যারা এত পাগল খেলা দেখতে তারা নিশ্চত ফুটবল খেলতেও পাগল।

সে থেকে দুই বন্ধুর ধ্যানে ঢুকে গেল সোনার বাংলা হতে হলে তো ফুটবলের রাজ্যে ঢুকতে হবে এবং তার জন্য অংশগ্রহণ করতে হবে। কখন? কিভাবে? ২০৩০ সালে লাল সবুজের অংশগ্রহণ দেখতে চাই বিশ্বকাপ ফুটবলে।শুধু শিক্ষা বা শুধু ধর্ম পারেনি সততা আনতে, পারেনি দূর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে, পারেনি মানবতার পরিবর্তন আনতে। খেলাধুলা, সুশিক্ষা এবং বুঝে ধর্মচর্চা এ তিনটির সমন্বয়ে গড়তে হবে বাংলাকে।এমনটি বিশ্বাস নিয়ে শুরু করেছি আমাদের জার্নি। এবারের জার্নি ফুটবল হান্ট একাডেমি করার জার্নি। ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে খুঁজে পেতে চাই মাত্র ১১ জন খেলোয়াড়কে যারা দামাল ছেলের মতো করে লাল সবুজের পতাকাকে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের মাঠে উড়াতে পারবে।

এখন আমাদের এ স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে হলে তো আর দেরি করলে চলবে না? তাই দেশের সবার সক্রিয় অংশগ্রহন প্রয়োজন। সবাইকে এ ক্লাবের অংশীদার হতে হবে এবং প্রত্যেক গ্রামে, গঞ্জে, মহল্লাতে, শহরে খুঁজতে হবে সেই ট্যালেন্ট যারা মনে প্রাণে এবং ধ্যানে বিশ্বাস করে যে তারা ফুটবলের তারকা হতে চায়।তাদেরকে ভালো প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে ফিটনেসের সঙ্গে ভালো খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। তাদেরকে দেশ বিদেশে ট্রেনিং এর জন্য পাঠাতে হতে পারে তার জন্য এবং ভালো প্রশিক্ষণ যাতে পেতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে।সর্বোপরি তাদের প্রাকটিসের জন্য স্থান নির্ধারিত করতে হবে। দায়িত্ববান লিডার এবং প্রশাসনের জন্য দক্ষ লোক খুঁজতে হবে। এর জন্য দরকার আর্থিক সাহায্যের। তার জন্য সবাইকে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। পুরো দেশে মাত্র ৪-৫ টি টেলিফোন নম্বর খুলতে হবে এবং সবাইকে একটি কল করতে হবে মাত্র, কলটি করা মাত্র ৫ টাকা সেই টেলিফোন থেকে চার্জ হবে।

এখন যদি এক কোটি লোক ফোন করে একাডেমি পাঁচ কোটি টাকা পেয়ে যাবে। যদি কেউ বেশি সাহায্য করতে চায় তাকে বেশিবার ঐ নম্বরে ফোন করতে হবে। মাত্র ১০ বছর সময় আমাদের হাতে তাই আর দেরি নয়। আসুন এমন একটি উদ্যোগের সমন্বয় ঘটাতে চেষ্টা করি, যারা এ বিষয়ে সহায়তা করতে ইচ্ছুক দয়া করে সামসুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন, ফোন করুন লাল সবুজের হয়ে।আমি দূর পরবাস থেকে যদি পারি দেশের সবার সঙ্গে থাকতে, কেনো যারা দেশে আছে তারা পারবে না? বন্ধু সামসুদ্দিনের সমন্বয়ে প্লিজ এমন একটি মহৎ কাজে জড়িত হয়ে বাংলাদেশেকে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার জগতে নিতে সাহায্য করুন।

ad

পাঠকের মতামত