আমরা আদালতে মামলার পাশাপাশি আন্দোলন চালিয়ে যাবো : মাওলানা ইউনূস আহমদ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- আইএবি’র মহাসচিব মাওলানা ইউনূস আহমদ বলেছেন, সরকার প্রহসনের নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান না করলে আমরা আদালতে মামলা করার পাশাপাশি রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবো। মঙ্গলবার আইএবি’র মহাসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ তিনি এ কথা বলেন।আইএবি’র মহাসচিব বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনটি ছিল শতভাগ নিয়ন্ত্রিত। নজির বিহীন কারচুপি, জালভোটের ছড়াছড়ি ও ভোট ডাকাতির কলঙ্কিত মহোৎসবের একটি মহড়া। এরূপ পরিকল্পিত পাঁতানো নির্বাচন দিয়ে রাষ্ট্র, জনগণ ও প্রার্থীদের এত বিপুল পরিমাণ অর্থ, সময় ও শ্রম ব্যয় করানোর প্রয়োজন ছিল না। নির্বাচন কমিশন, প্রশাসনের সকলে মিলে নৌকা ও মহাজোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য একযোগে কাজ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির কথা বলে ভোট চুরি ও ডাকাতি করেছে। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনগণের নিরাপদ ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- আইএবি’র আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই প্রহসনের নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন করে সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় দলীয় কার্যলয়ে নির্বাচন উত্তর সংবাদ সম্মেলনে পীর চরমোনাই এসব কথা বলেন।আইএবি’র আমীর বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনটি ছিল শতভাগ নিয়ন্ত্রিত। নজির বিহীন কারচুপি, জালভোটের ছড়াছড়ি ও ভোট ডাকাতির কলঙ্কিত মহোৎসবের একটি মহড়া। এরূপ পরিকল্পিত পাঁতানো নির্বাচন দিয়ে রাষ্ট্র, জনগণ ও প্রার্থীদের এত বিপুল পরিমাণ অর্থ, সময় ও শ্রম ব্যয় করানোর প্রয়োজন ছিল না।
নির্বাচন কমিশন, প্রশাসনের সকল বিভাগ সারাদেশের ৪০ হাজারের বেশি কেন্দ্রে নৌকা ও মহাজোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য একযোগে কাজ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির কথা বলে ভোট চুরি ও ডাকাতি করেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনগণের নিরাপদ ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে তীব্র আন্দোলনের সূচনা করবে।তিনি বলেন, অধিকাংশ ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনের আগের দিন রাতেই ভোট দেয়া সম্পন্ন করা হয়। এছাড়া ভোটের দিন সকাল ১০টা নাগাদ প্রতিটি কেন্দ্রে সরকার দলীয় ক্যাডার বাহিনী প্রশাসনের সহায়তায় প্রকাশ্যে সীল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করেছে।
চট্টগ্রামের পটিয়ায় ৩০ ডিসেম্বর ভোট শুরুর পূর্বেই ব্যালট বাক্স ভর্তি পাওয়া গেছে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ভোট গ্রহণের কথা থাকলেও দুপুরে বিরতির নামে দরজা বন্ধ করে সরকারদলীয় লোকজন কোমলমতি শিশু-কিশোরদের দিয়েও ব্যালট পেপারে ব্যাপকভাবে সীল পিটিয়েছে। অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে হাতপাখার এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। সূত্র: আমাদের সময়.কম




