বগুড়ায় হিরো আলম ও বর্তমান এমপিসহ জামানত হারালেন যারা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার ৭টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী হয়ে মোট ৪৭ জন প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।এদের মধ্যে নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় এ নির্বাচনে জামানত হারিয়েছেন ৩৪ জন প্রার্থী। এর মধ্যে আলোচিত স্বতন্ত্রপ্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমসহ একজন বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্য রয়েছেন।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় এবারের নির্বাচনে নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রত্যেককে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জামানত হিসেবে ২০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়েছে। আর এই জামানতের টাকা ফেরত পেতে হলে প্রার্থীকে তার আসনে মোট ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হবে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনেই ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন।একই কারণে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) তিন প্রার্থী, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) ২ জন, কমিউনিস্ট পার্টির ২ জন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২ জন, ন্যাশনালিস্ট আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ)-এর ২ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।এছাড়া জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), মুসলিম লীগ, ইসলামী ঐক্যজোট, জাকের পার্টি ও তরিকত ফেডারেশন থেকে একজন করে প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এসব প্রার্থীদের সবার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনকারী নয়জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জন ছাড়া বাকিরা সবাই একই নিয়ম অনুযায়ী জামানত হারিয়েছেন।
এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য মহাজোট প্রার্থী (জাতীয় পার্টি) অ্যাডভোকেট আলতাফ আলীও মোট ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি। যার ফলে তার জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে।একইভাবে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি। তিনিও এবারের নির্বাচনে জামানত হারিয়েছেন।এদিকে বহুল আলোচিত আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু ভোট চলাকালে তাকে মারধর ও ভোট সুষ্ঠু না হওয়ার অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি ভোট পেয়েছিলে মাত্র ৬৩৮টি।




