গোয়েন্দা নজরদারিতে আবাসিক হোটেল ও মেস, চলছে তল্লাশি
আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি চলছে। এর মধ্যে বিশেষ করে দেশের নগর ও মহানগরীর আবাসিক হোটেল ও মেস-বাড়িগুলোর প্রতি বিশেষ নজরদারি ও মনিটরিং করা হচ্ছে।র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে ঢাকার হোটেলগুলোতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যারা অবস্থান করছেন তাদের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নেওয়া কিংবা নতুনদের গমনাগমনের বিষয়ে তথ্য পেতে কাজ করছে র্যাবের ব্যাটালিয়নগুলো।বুধবার (২৬ ডিসেম্বর) থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার হোটেলগুলোতে তল্লাশি শুরু করে র্যাব। এ সময় হোটেলের রেজিস্টার চেকসহ সন্দেহ হলে প্রয়োজনে কক্ষে গিয়ে বোর্ডারদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তারা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ী জানান, ব্যবসায়িক কাজে তিনি ঢাকায় এসে একটি আবাসিক হোটেলে রুম ভাড়া নিতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। হোটেলের মালিক বলেছেন, তারা হোটেলে রুম ভাড়া দেয়া বন্ধ করেছেন। তিনি ব্যবসায়িক কাজে আগামী ২ তারিখ পর্যন্ত ঢাকায় থাকবেন। এজন্য রুম ভাড়া করতে পারছেন না।এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাসা বা মেস ছাড়তে হবে রাজধানীর ব্যাচেলরদের। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফেরাও যাবে না। পুলিশের বরাতে এমন নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে বলে জানান রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত ব্যাচেলররা। যদিও ডিএমপির পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো নির্দেশনা নেই বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাড্ডা, ক্ষিলখেত, নিকুঞ্জ, মণিপুরি পাড়া ও মিরপুর এলাকায় বসবাসরত বেশ কয়েকজন ব্যাচেলর পুলিশের বরাতে বাড়িওয়ালার কাছ থেকে ফ্ল্যাট ছাড়ার নির্দেশনা পেয়েছেন।
মেস আকারে থাকা আবাসিক ভবনের পাশাপাশি বিভিন্ন হোস্টেলেও পুলিশের পক্ষ থেকে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিভিন্ন হোস্টেলে থাকা ছাত্র-ছাত্রীরা। মাত্র কয়েকঘণ্টার মধ্যে বাসা ছাড়া নিয়ে বিপাকে রাজধানীর ব্যাচেলররা।নির্দেশনা পাওয়ার পর বাসা ছাড়তে দেখা যায় অনেককেই। আর এতে নতুন এক হয়রানি ও ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যাচেলর বাসাবাড়িতে থাকা মানুষেরা। এতো অল্প সময়ে আবাসস্থল ছেড়ে কোথাও যাওয়ার জায়গাও পাচ্ছেন না। আবার অনেকেই রাজধানী ছাড়ার জন্য বাস বা লঞ্চের টিকিট পাচ্ছেন না বলেও জানান।




