কালীগঞ্জে মিলনের স্ত্রী শম্পা হকের ওপর হামলা-গাড়ি ভাংচুর, আহত ২০
গাজীপুর-৫ আসনে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী কারাবন্দী ফজলুল হক মিলনের স্ত্রী শম্পা হকের ওপর হামলা করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় অন্তত ২০জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং ৩টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এদিকে শম্পা হকের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে গাজীপুর মহানগর জামায়াত।স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, সোমবার দুপুরে গাজীপুর-৫ আসনে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী কারাবন্দী ফজলুল হক মিলনের নামে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা দেয়ার জন্য তার স্ত্রী শম্পা হক কালীগঞ্জ থানার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় কালীগঞ্জ বাজার বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় পৌছলে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা তার গাড়িবহরে হামলা করে। হামলায় শম্পা হকের পাশাপাশি বিএনপি কর্মী শওকত আকবর, জাহাঙ্গীর, মোফা, মাসুম, আল আমিন, শাহ আলমসহ অন্তত ২০ নেতাকর্মী আহত হন।
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এদিকে কালীগঞ্জ থানার পাশেই বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলা হলেও ও ঘটনার সময় পুলিশ কাছাকাছি থাকলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।এছাড়াও সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের টিওরী গ্রামে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা।এদিকে শম্পা হকের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ এস এম সানাউল্লাহ, জেলা জামায়াতের আমীর আবু তাসনিম, নগর জামায়াতের সেক্রেটারী মোঃ খায়রুল হাসান, জেলা সেক্রেটারী মাওলানা শেফাউল হক বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্তৃক হামলায় আবারো প্রমানিত হল আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী দল এবং তারা সুষ্ঠু নির্বাচন চায় না। একদিকে সরকারের গ্রেফতার অভিযান অন্যদিকে হামলা-মামলা ও চরম ভয়-ভীতি আতংক সৃষ্টি করে দেশকে আরেকটি একতরফা প্রহসনের নির্বাচনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কাপোরুষোচিত জঘন্য এ হামলাকারীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার দাবি করেন। নেতৃবৃন্দ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরীর দাবি জানান।




