জনগণের আস্থা নষ্ট হয় কমিশনে দ্বিমত থাকলে : সাখাওয়াত হোসেন
নিউজ ডেস্ক।। সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের কমিশনারদের ভিন্নমত থাকতেই পারে। ভিন্ন মতকে নোট করা হয় নোট অব ডিসেন্ট হিসেবে। নোট অব ডিসেন্ট যতোখানি একমোডেট করা সম্ভব সে ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হয়। এভাবে না হলে জনগণের আস্থা নষ্ট হয়।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিজেদের বিতর্ক নিয়ে কমিশন প্রধান মাহবুব তালুকদারের ব্যাপারে বক্তব্য না দিয়েও পারতেন। মাহবুব তালুকদারের ওটা ব্যক্তিগত মত বলেই শেষ করে দেয়া যেতো। ঐ জায়গায় আমি হলে বলতাম, আমার কোনো কথা শোনা হচ্ছে না এবং আমার নোট অব ডিসেন্টও কেউ নোট করছে না। এক্ষেত্রে একক নির্বাচন কমিশনার হিসেবে মাহবুব কমিশনারের কিছু করার নেই। নির্বাচন কমিশনার সংখ্যা তিন জনের বেশি হওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনারের সদস্য সংখ্যা ৩ জনের বেশি হলেই এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হওয়ার আশংকা থেকে যায়।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, অমুক কমিশনার অমুক দলের এভাবে পাবলিকলি এনাউন্স করা কোনোভাবেই উচিত নয়। পাবলিকলিই কোন কমিশনারকে দলীয় হিসেবে এ্যানাউন্স করা হলে তো দলভিত্তিক ইলেকশন কমিশন বানাতে হবে। সার্চকমিটিতে উভয় দলের লোক থাকবে।
দুইজন কমিশনারের দুই দলভিত্তিক বক্তব্য এটি হাসির ব্যাপার নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি সেনসিটিভ বিষয়। ১১৮ থেকে ১২৬ অনুচ্ছেদে ইলেকশন কমিশনকে এতই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে যে, একজন এই দল আরেকজন ঐ দল এ ধরণের কথা বলা কোনোভাবেই উচিত নয়।
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে না পারাটা ডেফিনেটলি নির্বাচন কমিশনের উদ্বেগের বিষয়। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এর তিনটি স্তর আছে। নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে সেটি পুরোপুরি হলোই না। নির্বাচনের রেজাল্ট পর্যন্ত অন্তত মিনিমাম লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের উচিত বলে মনে করেন সাবেক এই নির্বাচন কমিশনার।




