হেভিওয়েট প্রার্থী বুঝি না, জনগণের ভালোবাসায় আমিই এগিয়ে : ফারুক
বিনোদন প্রতিবেদক: ঢাকা-১৭ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন নায়ক ফারুক। আনুষ্ঠানিকভাবে নেমেছেন তিনি নির্বাচনী প্রচারণায়।চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক ফারুক। তার নেতৃত্বে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো চলচ্চিত্রের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় হঠাৎ এসেছিলেন দীর্ঘদিনের কর্মস্থল এফডিসিতে।সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। কথা বলেন নির্বাচনের নানা বিষয়ে। এই চিত্রনায়ক জানান, দলনেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে প্রচারণায় নেমেছেন তিনি। বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন ভোটারদের। ভোট চাইছেন। হচ্ছে দারুণ সব অভিজ্ঞতা।
‘সুজন সখী’খ্যাত এই অভিনেতা বলেন, ‘রাজনীতিতে অনেক আগে থেকেই যুক্ত ছিলাম। সবসময় বঙ্গবন্ধুর কথা বলে আসছি, আওয়ামী লীগের কথা, নেত্রীর কথা বলে আসছি। নেত্রী কী কী উন্নয়ন করেছেন সেগুলো বলে নির্বাচনী প্রচারণা করছি।’প্রচারণার অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে ফারুক বলেন, ‘আমি অভিভূত মানুষের ভালোবাসায়।
সেই কবে কবে কী কী সিনেমা করেছি মানুষ তা এখনো মনে রেখেছে। ছুটে আসছেন একদম ঘরের মানুষের মতো।এই কয়েকদিনের প্রচারণায় ভীষণ মুগ্ধ হয়েছি। বিশেষ করে ভাষানটেক এলাকায় গিয়ে আমি আপ্লুত হয়েছি। মাথা নিচু করে কেঁদেছি। মানুষ আমাকে এতো ভালোবাসে। আমার কাছে মনে হলো নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছি। আর তারা আমাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে।
আমি তাদের ওয়াদা দিয়ে এসেছি, নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পারলে ভাষানটেকের দুঃখী মানুষগুলোর জন্য সবার আগে কথা বলবো, ওদের উন্নয়নে কাজ করবো। আমি তাদের জীবন যাপনে পরিবর্তন আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।’ঢাকা ১৭ আসনে অনেক হেভিওয়েট প্রার্থি রয়েছে। তাদের সঙ্গে নির্বাচনে ভয়ের কিছু দেখছেন না নায়ক ফারুক। তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে যিনি মানুষের কথা বলবেন, মানুষ ভালোবাসবেন, মানুষকে কিছু উপহার দিতে পারবেন তিনিই হেভিওয়েট।যারা মানুষের ভালোবাসা পায়। তাদের উন্নয়নে কাজ করেন। তাদের ভালোবাসা নিয়ে সংসদে কথা বলেন তারাই জয়ী হন। সেদিক থেকে আমি নিজেকেই এগিয়ে রাখছি। কারণ, এই কয়দিনে দেখেছি কে কী ধরনের রাজনীতি করেন। তাদের নিয়ে মানুষের কী ধারণা।’
চলচ্চিত্রের মানুষ হিসেবে এখানকার উন্নয়নে কী ধরনের ভূমিকা রাখবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ফারুক বলেন, ‘সংসদ জাতির ভাগ্য নির্ধারণ করে। আর সিনেমা হলো জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। সংসদে যেতে পারলে অবশ্যই সিনেমার কথা বলবো। সিনেমায় কী সমস্যা আছে সেটা আমার চেয়ে কেউ ভালো বলতে পারবে না। আমি চলচ্চিত্রের দিন ফিরিয়ে আনতে যা করা সম্ভব চেষ্ট করবো।তবে বিজয়ী হলে সবার আগে আমি ভাষানটেক এলাকাবাসীর জন্য কথা বলবো। তাদের জন্য আমি কিছু একটা করবো। ওদের জীবন যাত্রার মান আমাকে কষ্ট দিয়েছে। ওরা সত্যিকারের পরিশ্রমী ও সৎ মানুষ। তারা ভালোবাসতে জানে। আমি তাদের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই।’




