ঘরে নয়, বাইরেও এ ছবি দেখতে চায় ভোটাররা
রোববার সকাল ৯টা। নির্ধারিত সময়ে শুরু হয় পটুয়াখালী-১ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই। নির্বাচনী কর্মকর্তারা যখন প্রার্থীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করছেন ঠিক তখন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শাহজাহান মিয়া ও বিএনপি মনোনীত সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) আলতাফ হোসেন চৌধুরী নিজেরে মধ্যে খোশগল্পে মেতে উঠেন।হেভিওয়েট দুই প্রার্থীর এই আন্তরিক আলোচনায় পুরো হলরুমেই একটি শান্তির পরিবেশ তৈরি করে। দুই নেতা পারিবারিক খোঁজ খবর নেয়ার পাশপাশি নিজেরা হাসি ঠাট্টায়ও মেতে ওঠেন।অবশ্য দুই সাবেক মন্ত্রীর মাঝ খানে পুরো বিষয়টি উপভোগ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী আলমগীর হোসেন। এ সময় আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পাশে তার পত্নী সুরাইয়া আক্তার চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।
দুই নেতার এ আলোচনার ছবি অনেকেই তাদের ক্যামেরায় ধারন করেন। আবার কী নিয়ে তারা আলোচনা করছেন, কী নিয়ে হাসছেন, সে বিষয়েও অনেকের কৌতূহল ছিলো। হাসি ঠাট্টা ও রসালো কথার মানুষ শাহজাহান মিয়া তার চিরচেনা রূপে ফিরে যান।এক পর্যায়ে বিএনপি থেকে আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও তার স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার চৌধুরী দুই জনেরই মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। তখন শাহজাহান মিয়া বলে উঠেন, ‘এবার তো আপনাদের সংসারের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হবে, কাকে রেখে কে নির্বাচন করবেন।’তবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি‘র জ্যেষ্ঠ নেতাদের এমন আন্তরিক কথা ও চলাফেরা মাঠের রাজনীতিতে ফিরলে তা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ঠিক রাখা ও প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান ঘটবে বলে মনে করেন সাধারণ ভোটাররা।




