‘নির্বাচন কমিশন বিএনপির পক্ষে’
নির্বাচন কমিশন বিএনপির পক্ষে পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে কবি ও মুক্তিযোদ্ধা ত্রিদিব দস্তিদারের ১৪ তম মৃর্ত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।হাছান মাহমুদ বলেন, তারা ক্রমাগতভাবে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে অভিযোগ করছে- আমরা নাকি আচরণবিধি লঙ্ঘন করছি। তারেক রহমান, যার ১০ বছর কারাদণ্ড হয়েছে, আরেকটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে, সে কীভাবে একটি দলের প্রার্থী ঠিক করে; নির্বাচন কমিশনের কাছে আমার প্রশ্ন। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, তারেক রহমানের এই সাক্ষাৎকার নেওয়া বন্ধ না করে বিএনপির পক্ষে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে। নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল এই সাক্ষাৎকার গ্রহণ বন্ধ করা। এ ব্যাপারে কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, কাগজে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখলাম- নির্বাচনে যদি জয় তারা লাভ করে, তবে তারেক রহমান নাকি প্রধানমন্ত্রী হবে। ড. কামাল হোসেনের বিষয়ে শুনলাম, তাকে নাকি রাষ্ট্রপতি করা হবে। তারেক রহমানের মতো দুর্নীতিবাজ, ঘৃণিত এবং যার নেতৃত্বে ২১ শে আগস্টে গ্রেনেড হামলা হয়েছে, তারা তাকে যে প্রধানমন্ত্রী বানাতে চায় তার আলামত আমরা দেখতে পাচ্ছি। কারণ তারেক রহমান বিএনপির সব মনোনয়নপ্রত্যাশীর সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন স্কাইপসহ নানারকম অ্যাপস এর মাধ্যমে। আজকের কাগজও দেখতে পেলাম মনোনয়ন ফাইনাল করবেন নাকি তারেক রহমান। এর অর্থ তাদের নেতা হচ্ছে তারেক রহমান। ড. কামাল হোসেন সাহেবের নেতাও এখন তারেক রহমান। কারণ সিদ্ধান্ত তো ড. কামাল হোসেন দিতে পারেন না। সিদ্ধান্ত দেন তারেক রহমান।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, পীযূষ বন্দোপাধ্যায়, মোল্লা জালাল, চিত্রনায়িকা ফারহানা আমীন নতুন, অরুনা বিশ্বাস, কণ্ঠশিল্পী এস ডি রুবেল, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ সহ আরও অনেকে।সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল




