জানাজার পর গ্রামের পথে রাজীবের মরদেহ
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
নিউজ ডেস্ক।। দুই বাসের প্রতিযোগিতায় প্রাণ হারানো সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতকের ছাত্র রাজীব হোসেনের (২১) প্রথম নামাজে জানাজা আজ মঙ্গলবার দুপুরে সম্পন্ন হয়েছে। দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তার মরদেহ।
দুপুরে জোহর নামাজের পর হাইকোর্ট মসজিদে রাজীবের জানাজা সম্পন্ন হয়। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশ নিয়ে স্বজনরা রাজীবের গ্রামের বাড়ি দিকে রওনা হয়েছেন। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বাঁশবাড়ি গ্রামে। সেখানেই চির নিদ্রায় শায়িত হবেন রাজীব।
রাজীবের মামা জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাজীবকে বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
দীর্ঘ ৭ দিন ধরে কমায় থাকার পর সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মারা যান রাজীব। মঙ্গলবার দুপুর ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাজীবের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ঢামেক ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস জানান, রাজীবের মাথার হাড় ভাঙা ছিল। তার মাথার খুলির নিচে রক্তক্ষরণ দেখা গেছে। এ রক্তক্ষরণের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
গত ৩ এপ্রিল বিআরটিসির একটি দোতলা বাসের পেছনের গেটে দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন রাজীব। তার হাতটি বেরিয়ে ছিল সামান্য বাইরে। হঠাৎই পেছন থেকে একটি বাস বিআরটিসির বাসটিকে পেরিয়ে যাওয়ার বা ওভারটেক করার জন্য বাঁ দিকে গা ঘেঁষে পড়ে। দুই বাসের প্রচণ্ড চাপে রাজীবের হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দু-তিনজন পথচারী দ্রুত তাকে পান্থপথের শমরিতা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে রাজীবকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু অক্লান্ত পরিশ্রম করেও তাকে বাঁচাতে পারেননি চিকিৎসকরা।




