সাজ সাজ রব থাকলেও তিনি এলেন না
জজ সাহেব কি এসেছেন? বুধবার সকাল ১১টায় বকশীবাজারের বিশেষ আদালতের সামনে একটি ধবধবে সাদা গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তব্যরত অন্য পুলিশ কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলেন। জবাবে জানানো হলো, ‘জজ স্যার তার খাস কামরায়।’ একটু পরেই গুঞ্জন অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়াকে আদালতে আনা হচ্ছে না। এ কথা শুনে একজন সংবাদকর্মী বলে উঠলেন, ‘যা, সব প্রস্তুতি জলে গেল!’ খানিক পর আবার গুঞ্জন খালেদাকে আনা হচ্ছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতে আনা হচ্ছে, হচ্ছে না -এমন গুঞ্জনে আইনজীবী, পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা আদালতের ভেতর অপেক্ষা করছেন। বুধবার সকাল থেকেই সাজ সাজ রব। বকশীবাজার, চকবাজার ও লালবাগের যে সব রাস্তা বকশীবাজারের বিশেষ আদালত ও ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার অভিমুখে মিলিত হয়েছে সব রাস্তায় সকাল থেকে পুলিশ, র্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা পাহাড়া বসিয়েছেন। নিরাপত্তার জন্য নিয়ন্ত্রণ করা হয় জন ও যান চলাচল।
সরজমিন পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, পুরান ঢাকার সদা ব্যস্ত রাস্তাঘাটগুলো বলতে গেলে ফাঁকা। বিভিন্ন প্রবেশপথে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার কর্মীদের আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে দেয়া হলেও ফটো সাংবাদিক ও ভিডিও সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।
বকশীবাজারের বিশেষ আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে চারপাশে পুলিশ ও র্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রাইভেটকার, জিপ ও মাইক্রোবাস। ইউনিফর্ম ও সিভিল ড্রেসে সংস্থার সদস্যরা। খালেদা জিয়াকে আনা হলে আদালতের ভেতরে যে চেয়ারটিতে বসবেন সেটিও রাখা হয়েছে। চেয়ারের সামনে দুটি ছোট টেবিল যেটাতে তিনি পা রাখেন।
তবে খালেদা জিয়াকে আজ (বুধবার) আদালতে আনা হবে নাকি আনা হবে না সে সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আজ তাকে আদালতে আনা হলে ৪৮ দিন পর কারাগার থেকে মুক্ত বাতাসে আসতেন খালেদা জিয়া।
সূত্র: জাগো নিউজ




