সেঞ্চুরি হাঁকালেন আশরাফুল
ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ তিনি। জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা প্রায় মিলিয়ে গেছে। তারপরেও মাঝেমধ্যে প্রমাণ দেন, তিনি এখনও ফুরিয়ে যাননি। আজ রবিবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে কলাবাগানের হয়ে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকালেন। এছাড়া টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান তাসামুল হকও সেঞ্চুরি তুলে নিলেন। জোড়া সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটে জয় পেল কলাবাগান।
এর আগে টানা দুই ম্যাচে ০ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরেছিলেন আশরাফুল। আজ বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের সপ্তম রাউন্ডের ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আজমির আহমেদ ও শাহরিয়ার নাফীসের ব্যাটে শুরুটা ভালোই হয়েছিল অগ্রণী ব্যাংকের। দুজনে মিলে ১২৮ রানের ওপেনিং জুটি উপহার দেন। ৬৬ বলে ৫৮ রান করা আজমিরের বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। কিন্তু এরপর আর কেউ দাঁড়াতে পারেনি।
সবার বিপরীতে দাঁড়িয়ে ৯৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন শাহরিয়ার। তার ১২৫ বলের ইনিংসে ছিল ১৪টি চার ও একটি ছক্কার মার। দুই ওপেনারের বাইরে বিশের ঘরে গেছেন মাত্র একজন- জাহিদ জাভেদ (২০)। তাই বড় স্কোরের সম্ভাবনা জাগিয়েও নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৫২ রান তোলে অগ্রণী ব্যাংক।৩৪ রানে ৩ উইকেট নিয়ে কলাবাগানের সেরা বোলার আকবর উর রেহমান। অধিনায়ক মুক্তার নিয়েছেন ২ উইকেট।
২৫৩ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুতেই জসিম উদ্দিনকে হারায় কলাবাগান। তবে তাসামুল-আশরাফুলের ১৮৮ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সহজ জয়ের পথে এগিয়ে যায় মুক্তার আলীর দল। ১১৫ বলে ১২ বাউন্ডারিতে ১০৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তাসামুল। এটি তার লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। অন্যদিকে ১৩৬ বলে ১০ বাউন্ডারিতে ১০২ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দেন আশরাফুল। শেষে তাইবুরের দুই ছক্কায় ৮ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কলাবাগান।




