201015

চাঁদপুরে দোকান কর্মচারী হত্যায় ৫ জনের ফাঁসি

চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুরের মতলব উপজেলায় মো. মাসুদ রানা (২৩) নামের এক দোকান কর্মচারীকে হত্যার দায়ে পাঁচজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ এ রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন—উপজেলার পশ্চিম লুধুয়ার আবদুল বারেক ব্যাপারির ছেলে মো. ফারুক ওরফে নবী (২৫), একই এলাকার মৃত মোখলেছুর রহমান মুন্সির ছেলে মোহাম্মদ আলী মুন্সি (২৮), মৃত নোয়াব আলীর ছেলে মো. আবদুল খালেক মোল্লা (৩২), দক্ষিণ লুধুয়া গ্রামের মো. আবদুর রহিম ব্যাপারির ছেলে ইয়ামিন ব্যাপারি (২৪) ও একই এলাকার আবুল কাশেম মাঝির ছেলে মো. সেলিম মাঝি (২২)।

এদের মধ্যে ইয়াসিন ব্যাপারি, আবদুল খালেক মোল্লা ও সেলিম মাঝি পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, মাসুদ মতলব দক্ষিণ বাজারে মো. বাদল নামে এক তেল ব্যবসায়ীর দোকানে কর্মচারীর কাজ করতো। ২০০৮ সালে ৫ অক্টোবর রাত সাড়ে ৭টার দিকে আসামী মো. আলী বাড়িতে গিয়ে মাসুদকে ডেকে নিয়ে যায়। এর পর মাসুদ রাতে বাড়ি ফেরেনি। অনেক খোঁজখুজি করে ছেলেকে না পেয়ে নয় দিন পর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন মাসুদের বাবা মো. রবিউল দর্জি।

পরে ১৫ অক্টোবর সকাল ১০টায় মতলব উত্তর উপজেলার গোয়াল ভাওর এলাকায় একটি ডোবার কচুরিপানার নীচ থেকে পুলিশ মাসুদের লাশ উদ্ধার করে। এর পর আটজনকে আসামী করে মতলব উত্তর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

এর পর ২০০৯ সালের ৩০ মে উপপরিদর্শক (এসআই ) আকরাম হোসেন মজুমদার ও আবদুল ওহাব আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে পাঁচ জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

মামলার বাদী রবিউল দর্জি জানান, আটজন আসামীই পরিকল্পিতভাবে মাসুদকে হত্যা করে। অথচ তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তিনি বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

ad

পাঠকের মতামত