186867

‘পরিকল্পিত নাশকতা’র সন্দেহ মহিউদ্দিনের ছেলে নওফেলের

মহিউদ্দিনের কুলখানি উপলক্ষে মেজবান খেতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ১০ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ‘পরিকল্পিত নাশকতা’র সন্দেহ করছেন তাঁর বড় ছেলে, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। গতকাল সোমবার রাতে দুর্ঘটনাস্থল নগরের রীমা কনভেনশন সেন্টারের দুর্ঘটনার বিষয়ে গণমাধ্যমকে এই শঙ্কার কথা জানান তিনি।

নওফেল বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে নাশকতার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। কেউ পরিকল্পিতভাবেও এ ঘটনা ঘটাতে পারে। এই ব্যাপারে জেলা প্রশাসন থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের প্রতিবেদন হাতে পেলে নিশ্চিত করে বলা যাবে কী ঘটেছে। ‘

কুলখানিতে পদদলিত হয়ে ১০ জনের প্রাণহানির ঘটনা স্বাভাবিক নয় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ‘রীমা কমিউনিটি সেন্টারের বাইরে নগরের আরো ১৩টি কমিউনিটি সেন্টারে মেজবানের আয়োজন করেছিলাম। ওসব সেন্টারের কোথাও সামান্য বিশৃঙ্খলা হয়নি। এখানে কেন এ বিশৃঙ্খলা হলো তা আমরা এখনো নিশ্চিত নই। তবে প্রাথমিকভাবে আমরা মনে করছি, যাঁরা মারা গেছেন তাঁরা পদদলিত হয়ে মারা যাননি। মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে তাঁরা মারা গেছেন।

কমিউনিটি সেন্টারের গেট খুলে দিলে কেউ পেছন থেকে ধাক্কা দিলে তাঁরা পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান, এ কারণে তাঁদের মৃত্যু হয়। ‘
শৃঙ্খলা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না জানতে চাইলে নওফেল সাংবাদিকদের বলেন, ;প্রতিটি কমিউনিটি সেন্টারে আমাদের এক থেকে দেড় শ স্বেচ্ছাসেবক ছিল। এই ঘটনায় আমাদের একজন স্বেচ্ছাসেবকও মারা গেছেন। পুলিশও সেখানে ছিল, সুতরাং শৃঙ্খলাব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল। এটাই চিন্তার বিষয়। আমরা ঘটনার পেছনের কারণ জানার চেষ্টা করছি। ‘

‘আমরা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তাদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করেছিলাম’, উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর পরও এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাই। ‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের একজন নেতা নিহতদের পরিবারকে এক লাখ টাকা করে প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। জেলা প্রশাসন থেকেও তাদের সহযোগিতা করা হবে। আমরা আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব। তাদের সবার তো আর্থিক অবস্থা এক রকম নয়, তাই আমরা হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সহযোগিতা করব। ‘

সূত্র:কালের কণ্ঠ

ad

পাঠকের মতামত