370289

টি–টোয়েন্টিতে সাকিবের ৪৪তম ম্যাচসেরা, রাসেলের সঙ্গে যৌথভাবে পঞ্চম

বল হাতে ২ ওভারে ১১ রান দিয়ে ৩ উইকেট, এরপর ব্যাট হাতে ১৮ বলে ২৫ রান—ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) গতকাল সেন্ট কিটস অ্যান্ড প্যাট্রিয়টসের বিপক্ষে এমনই অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন সাকিব আল হাসান। তাঁর দল অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুদা ফ্যালকনস ৭ উইকেটে জেতার পর ম্যাচসেরা বাছাইয়ে খুব একটা ভাবতে হয়নি বিচারকদের। স্বাভাবিকভাবেই সাকিবই হয়েছেন ম্যাচসেরা।

এটি সাকিবের স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৪৪তম ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার। সমানসংখ্যক ম্যাচসেরা হয়েছেন আন্দ্রে রাসেলও। তবে বড় পার্থক্য হলো—৪৪ বার ম্যাচসেরা হতে রাসেলের তুলনায় ১০৭ ম্যাচ কম খেলেছেন সাকিব।

২০০৬ সাল থেকে টি-টোয়েন্টি খেলে আসা সাকিব এখন পর্যন্ত ৪৫৭ ম্যাচে করেছেন ৭৫৭৪ রান ও নিয়েছেন ৫০২ উইকেট। ৭ হাজার রান ও ৫০০ উইকেট—টি-টোয়েন্টিতে এই দুটো মাইলফলক একসঙ্গে ছোঁয়া একমাত্র ক্রিকেটারও তিনি।

অন্যদিকে রাসেল ২০১০ থেকে এখন পর্যন্ত খেলেছেন ৫৬৪ ম্যাচ। তাঁর ঝুলিতে ৯৩৬১ রান ও ৪৮৭ উইকেটের পাশাপাশি ৪৪ ম্যাচসেরার পুরস্কারও আছে।

শীর্ষে ওঠার দৌড়ে সাকিব কোথায়?

টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচসেরার তালিকায় সাকিব-রাসেল দুজনই এখন যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে। তাঁদের ঠিক সামনে আছেন—

  • অ্যালেক্স হেলস: ৫০৬ ম্যাচে ৪৫ বার

  • কাইরন পোলার্ড: ৭১০ ম্যাচে ৪৭ বার

  • গ্লেন ম্যাক্সওয়েল: ৪৮৬ ম্যাচে ৪৮ বার

তবে সবার নাগালের বাইরে রয়েছেন কিংবদন্তি ক্রিস গেইল। ৪৬৩ ম্যাচে রেকর্ড ৬০ বার ম্যাচসেরা হয়েছেন তিনি। ২০২২ সালের পর আর কোনো স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি না খেললেও তাঁর রেকর্ড আপাতত অটুট।

অতএব, সাকিবের সামনে হেলস, পোলার্ড ও ম্যাক্সওয়েলের রেকর্ড ভাঙার সুযোগ খুব কাছেই। তবে গেইলের ৬০ ম্যাচসেরায় পৌঁছাতে হলে তাঁকে আরও অন্তত ১৭ বার ম্যাচসেরা হতে হবে।

ad

পাঠকের মতামত