মসজিদে নামাজরত মুয়াজ্জিনকে কুপিয়ে জখম
বাংলা ডেস্ক।। চাঁদপুরের হাইমচরে মসজিদে নামাজরত মুয়াজ্জিনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। পূর্ব চরকৃষ্ণপুর গ্রামের আখন বাড়ি জামে মসজিদে বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) ফজরের আজানের পর এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের থেকে জানা যায়, ফজরের আজান শেষে সুন্নত নামাজে দাড়ান মুয়াজ্জিন সোলাইমান আখন। তিনি সেজদায় গেলে পেছন থেকে তার ঘাড়ে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে জখম করে দূর্বৃত্তরা।
এক মুসুল্লি মসজিদে গিয়ে দেখেন, মুয়াজ্জিন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে রেফার করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. বোরহান উদ্দিন জানান, মসজিদের মুয়াজ্জিন সোলাইমান আখন প্রতিদিনের মত এ দিনও ফজর নামাজের আজান শেষ করে সুন্নত নামাজে দাড়ান।
পেছন থেকে কুপিয়ে তাকে জখম করে চলে যায় দূর্বৃত্তরা। আজানের ১৫ মিনিট পর তিনি মসজিদে এসে দেখেন, স্থানীয় মুসল্লীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে এই ঘটনার বিচার চেয়ে মুয়াজ্জিনের ছেলে সজীব হোসেন বলেন, ‘চাচা সিরাজ আখন ও গনি আখনের সঙ্গে আমাদের জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছে। গত মাসে চাচারা বাবাকে হত্যার হুমকি দেন।
’ চাচারা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে ধারণা তার।
এদিন বিকেলে হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, ভোরের আলো না ফুটতেই মসজিদে ঢুকে মুয়াজ্জিনকে কোপানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কয়জন জড়িত, বা কে কুপিয়েছে, পুলিশ এখনো তা শনাক্ত করতে পারেনি।
তিনি আরো জানান, মুয়াজ্জিনের পরিবারের সদস্যরা চারজনকে সন্দেহ করছেন। এই বিষয়ে তারা ইতিমধ্যে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন।
অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ। উৎস: কালের কণ্ঠ।




