360086

অতি উচ্চ ঝুঁকিতে ৫২ জেলা : করোনায় একদিনে রেকর্ড মৃত্যু ১৪৩ জনের, শনাক্ত ৮৩০১

নিউজ ডেস্ক।। দেশে দৈনিক মৃত্যুতে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এ নিয়ে মোট মারা গেছেন ১৪ হাজার ৬৪৬ জন। এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত ৯ লাখ ২১ হাজার ৫৫৯ জন। পরীক্ষা বিবেচনায় দৈনিক শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ৯০ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ সাপ্তাহিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনাক্তের হার ও মৃত্যুতে চতুর্থ স্থান থেকে এক লাফে শীর্ষে চলে এসেছে বরিশাল বিভাগ। গত এক সপ্তাহে এই বিভাগে সংক্রমণের হার বেড়েছে ১১৮.৩ শতাংশ।

গত সপ্তাহের প্রতিবেদনে শীর্ষে থাকা ঢাকা বিভাগ দ্বিতীয় স্থানে নেমে এসেছে। ঢাকায় গত এক সপ্তাহে সংক্রমণের হার বেড়েছে ৭৬.৯ শতাংশ। যা এর আগের সপ্তাহে ছিলো ১১৪.৪ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগ। চতুর্থ রংপুর বিভাগ।

প্রতিনিধিরা জানান, পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর হাসপাতালে এরই মধ্যে অক্সিজেন সংকট দেখা দিয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাবে দূষণ ছড়িয়ে পড়ায় সেটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। রোগীর সংখ্যা আরও বাড়লে গোটা দেশে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার শঙ্কা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

বিএসএমইউ ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, গড়ে ১৪ দিন আগে দেশে যে সংক্রমণ হয়েছে, তার কারণে ঘটে যাওয়া মৃত্যু আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি। আজকে যে সংক্রমণ হচ্ছে, এর মৃত্যু দেখবো ১০ থেকে ১৫ দিন পর।

বিশেষ করে গ্রামের মানুষ অবস্থা জটিল না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালে আসতে চায় না। অন্যদিকে গ্রাম থেকে জেলা শহরের হাসপাতালে নিয়ে যেতে যে সময়টুকু দরকার, সেটিও অনেক সময় রোগীরা পায় না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বেনজির আহমেদ বলেন, লকডাউন দিয়ে এটা ঠেকানো খুব কঠিন কাজ। আমরা যদি এই রোগীগুলোকে আগেই আইসোলেশনে নিতে পারতাম, তাহলে কিন্তু লকডাউন ছাড়াও সংক্রমণ কমানো যেতো।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর রোবেদ আমিন বলেন, অক্সিজেন সংকট যাতে না হয়- সরকার আগে থেকেই সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে শিল্পকারখানায় এই গ্যাস সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দুটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অক্সিজেন দিতে রাজি হয়েছে।

ad

পাঠকের মতামত