349600

পদ্মা সেতু ঘিরে ছিল মানুষের কাটা মাথার ‘গুজব’

দুর্নীতি চেষ্টার ধোয়া তুলে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের কারণে সেতুর কাজ শুরু করতেই বিলম্ব হয় চার বছর। কানাডার আদালত এই অভিযোগ গালগপ্প বলে উড়িয়ে দেয়ার পর বাংলাদেশে থেমে যায় সমালোচনা। শুরুতে পরিকল্পনা ছিল ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে খুলে দেয়া হবে সেতু। কিন্তু ২০২০ সালের শেষে এসে বসল সব স্প্যান। এর মধ্যে ‘গুজব’ রটে পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন যে প্রচারণা চালানো হয় যা ‘কুচক্রী মহলের গুজব’ বলে জানায় প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

গুজবের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে চলতি বছরের ৯ জুলাই পদ্মা সেতু প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলামের তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তার কাছে চিঠি দেন।

তিনি চিঠিতে লেখেন, পদ্মা সেতু নির্মাণকাজ পরিচালনায় মানুষের মাথা লাগবে বলে একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা প্রকল্প কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এটি একটি গুজব। এর কোনো সত্যতা নেই। এমন অপপ্রচার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য দেশবাসীকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

বিষয়টি গুজব হিসেবে চিহ্নিত করে সে সময় দেশবাসীকে অবহিত করতে গণমাধ্যমে প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রধান তথ্য কর্মকর্তাকে অনুরোধও জানানো হয়।

চিঠিতে সে সময় আরও জানানো হয়, পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

ad

পাঠকের মতামত