342162

আজারি হা’মলায় আর্মেনিয় সেনাদের লা’শের মি’ছিল, কারাবাখ ছাড়ছে

দক্ষিণ ককেশাসের বি’রোধপূর্ণ এলাকা নাগোর্নো-কারাবাখকে কেন্দ্র করে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে কয়েক দিন ধরে তী’ব্র ল’ড়াই চলছে। এই অঞ্চল নিয়ে দুটি দেশের মধ্যে এর আগেও থেকে থেকে উ’ত্তেজ’না তৈরি হয়েছে, সামরিক সং’ঘাতও হয়েছে, কিন্তু সেগুলো সবই ছিল সীমিত পরিসরে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে হঠাৎ করে শুরু হয়ে যাওয়া এই যু’দ্ধে বড় বড় কামান, ট্যা’ঙ্ক, ক্ষে’পণা’স্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। এদিকে আর্মেনিয়া জানিয়েছে, তাদের আরো ৫১ জন সেনা নি’হত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশটির মোট ২০৭ জন সেনা নি’হত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তবে, আজারবাইজানের দাবি, আর্মেনিয়ার আরো বহুগুণ ক্ষ’য়ক্ষ’তির স্বীকার হয়েছে। কিন্ত তারা সেটা গোপন করছে। আজারবাইজানের সামরিক খাতে কতো ক্ষ’য়’ক্ষতি হয়েছে সে বিষয়ে বাকুর পক্ষ থেকে এখনো কিছু বলা হয়নি। তবে ৩০ জনের মতো বেসামরিক নাগরিক নি’হতের খরব জানায় দেশটি।

এদিকে আজারবাইজানি সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আর্মেনিয়ানরা দখলকৃত আজারবাইজানীয় অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে শুরু করেছে। নাগার্নো-কারাবাখের খবরেদী শহরের কেন্দ্রস্থলে জড়ো হয়ে আর্মেনিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংবাদ মাধ্যম আরআইএ নভোস্টি’র বরাতে জানা গেছে, খোজাভেন্দ এবং আগদের শহরগুলো খালি হয়ে গেছে। সাবেক সোভিয়েতভুক্ত এ দুটি দেশ ১৯৯০ সাল থেকেই আঞ্চলিক বি’রোধে জ’ড়িয়ে আছে। ২০১৬ সালে এসে তা মা’রা’ত্মক রূপ নেয়। এ প্রেক্ষাপটে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস অবিলম্বে এই সং’ঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

মহাসচিবের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, গুতেরেস অবিলম্বে উভয়পক্ষকে এই যু’দ্ধ বন্ধের জন্য জোরালো আহ্বান জানান। বিলম্ব না করে অর্থপূর্ণ আলোচনায় ফেরারও আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে নাগরনো কারাবাখ নিয়ে রোববার নতুন করে সং’ঘর্ষ শুরু হয়। ব্যাপক গো’লাগু’লির পর পরিস্থিতি যু’দ্ধাবস্থা’য় পৌঁছায়। এ প্রেক্ষাপটে আর্মেনীয় সরকার সামরিক আইন জারি করে নিজ জনগণকে যু’দ্ধের জন্যে প্রস্তুত হতে বলেছে। আর্মেনিয়ার দাবি, প্রথমে আজারবাইজান বাহিনী তাদের বাহিনী লক্ষ্য করে গোলা ছোঁ’ড়ে।

কিন্তু আজারবাইজান বলছে, আর্মেনিয়ার বাহিনীই প্রথমে তাদের সেনা ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে গো’লাবর্ষ’ণ করে।

ad

পাঠকের মতামত