342196

কা’ন্নায় ভাই’ঙ্গা পড়ছে, আব্বু বলার পরে কোনো কথাই বলতে পারেনি: মিন্নির বাবা

নিউজ ডেস্ক : বরগুনার চা’ঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় মৃ’ত্যুদ’ণ্ডের রায়ের বিরু’দ্ধে খুব দ্রুতই হাইকোর্টে আপিল করবেন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে এমন তথ্য জানিয়েছেন মিন্নির আ’ইনজীবী জেড আই খান পান্না।

এর আগে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন রায়ের কপি ও ওকালতনামা নিয়ে হাইকোর্টে জেড আই খানের চেম্বারে পৌঁছান। এদিন সকালে মিন্নিসহ ৬ আ’সামির মৃ’ত্যুদ’ণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য (ডে’থ রেফারেন্স) মা’মলার সব নথি হাইকোর্টে এসেছে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

আ’ইনজীবীরা জানান, ফৌজদারি মা’মলায় বিচা’রিক আ’দালত যখন আ’সামিদের মৃ’ত্যুদ’ণ্ড দেন তখন ওই দ’ণ্ড কার্যকরের জন্য হাইকোর্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিচা’রিক আ’দালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক মা’মলার সব নথি হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেন। যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। ওই নথি আসার পর হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট মা’মলার পেপারবুক প্র’স্তুত করে। পেপারবুক প্র’স্তুত হলে মা’মলাটি শুনানির জন্য প্র’স্তুত হয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়।

তবে কোনো কোনো মা’মলার ক্ষেত্রে প্রধান বি’চারপতির নির্দেশে অগ্রাধিকার ভি’ত্তিতে পেপারবুক তৈরি করা হয়। এক ভি’ডিও বার্তায় আ’ইনজীবী জেড আই খান পান্ন বলেন, মা’মলার কাগজপত্র সবেমাত্র পেয়েছি। আমরা অতি শিগগিরই আপিল ফাইল করতে যাচ্ছি। দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই যেন ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।

এদিকে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরও সুপ্রিম কোর্ট আ’ইনজীবী সমিতি ভবনে জেড আই খান পান্নার চেম্বারে আসেন। তখন তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘মোবাইলে একদিন কথা হইছিল মিন্নির সঙ্গে। ফিজিক্যালি দেখা হয়নি।’

সে দিন তার সঙ্গে কী কথা হয়েছে এমন প্রশ্নে মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, ‘ও বলতে পারেনি কিছু। কা’ন্নায় ভাই’ঙ্গা পড়ছে। ও আব্বু বলার পরে কোনো কথাই বলতে পারেনি।’ গত ৩০ সেপ্টেম্বর বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদা’লতের বি’চারক মো. আছাদুজ্জামান এ মা’মলার রায় ঘোষণা করেন।

ad

পাঠকের মতামত