342054

অ’স্ত্রোপ’চারের সময় সন্তানের মৃত্যু, ‘স্যরি’ লিখে চিকিৎসক বাবার আ’ত্মহ’ত্যা

নিজের ৭ বছর বয়সী কন্যা সন্তানকে গত ২৩ সেপ্টেম্বর অ’স্ত্রোপ’চার করেন অনুপ কৃষ্ণা। কিন্তু অ’স্ত্রোপ’চারে তার সন্তানের মৃত্যু হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ’ভিযোগ উঠে তিনি নিজেই তার সন্তানকে মে’রে ফেলেছেন। এ অপমান সইতে না পেরে শেষ পর্যন্ত আ’ত্মহ’ত্যাই করেছেন কেরালার এ চিকিৎসক।

হিন্দুস্থান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) কাদাপ্পাকাড়াতে নিজ বাড়ি থেকে তার ম’রদে’হ উ’দ্ধার হয়। অনুপ কৃষ্ণা ভারতের কেরালার অর্থোপেডিকসের স্বনামধন্য একজন চিকিৎসক। এ ঘটনায় কোল্লাম জেলার কিলিকোল্লুর পুলিশ একটি অস্বা’ভাবিক মৃত্যুর মা’মলা দায়ের করে ঘ’টনার তদন্ত শুরু করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুপ কৃষ্ণা মৃত্যুর আগে বাথরুমের দেওয়ালে ‘স্যরি’ লিখে আ’ত্মহ’ত্যা করেন। এক সপ্তাহ আগেই মেয়ের মৃত্যু হয়েছিল। ঘট’নার তদন্তকারী অফিসাররা সেই বিষয়টিকেও মা’থায় রেখেছেন। তবে ওই কারণেই তিনি আ’ত্মঘা’তী হয়েছেন কি না- তা এখনই নিশ্চিত করতে পারছে না পুলিশ। অনলাইনে বা অফলাইনে তাকে কোনও হু’মকি দেয়া হয়েছিল কি না- তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর তার সাত বছরের মেয়ে বাবার হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছিল। হাঁটুর অ’স্ত্রোপ’চারের সময় কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট অর্থাৎ হৃ’দরো’গে আ’ক্রান্ত হয় সে। বাবা নিজেই মেয়ের অ’স্ত্রোপ’চার করছিলেন। আরেকটি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তাকে বাঁ’চানো যায়নি। মেয়ের মৃত্যুর জন্য পরিবার ও স্থানীয়রা হাসপাতালের বাইরে বি’ক্ষোভ দেখান।

অনুপের বি’রু’দ্ধে গাফিলতির অ’ভিযোগ তোলা হয়। কোল্লাম পূর্ব পুলিশ স্টেশনে তার বি’রু’দ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অ’ভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে অনুপের পক্ষেও মুখ খুলেছেন কেরালার একাধিক চিকিৎসক। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে ভ’য়াবহ হে’নস্তা করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সুলফি নোহু নামের এক চিকিৎসক ফেসবুকে লিখেছেন, ‘একাধিক ডাক্তার এই কোভিড পরিস্থিতিতে মেয়ের হাঁটু অ’স্ত্রোপ’চারে রাজি হননি। অনুপ একাই ঝুঁ’কি নিয়ে রাজি হয়েছিলেন। দু’র্ভাগ্যবশত আমরা শিশুটিকে হা’রিয়ে ফেলেছি। আর তার পরেই শুরু হয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রায়াল। ডাক্তারের অ’পরাধ বলে রায়ও দিয়েছেন অনেকে। এমনকি অনেকেই লিখেছেন বাবা নিজেই মেয়েকে খু’ন করেছে।’

তারপর থেকেই অবসাদে ছিলেন অনুপ। তবে সে কারণেই আ’ত্মহ’ত্যা করেছেন কি না- তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পরিবার ও স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছেন তারা। অনুপ কৃষ্ণা নিজেই অনুপ অর্থো কেয়াল নামের একটি হাসপাতাল চালাতেন।

ad

পাঠকের মতামত