341930

‘বাবা ক’নডে’ম সেলে আমি ভালো নেই’

রিফাত হ’ত্যা মা’মলায় মৃ’ত্যুদ’ণ্ডপ্রা’প্ত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি বর্তমানে বগুড়া কা’রাগারের ক’নডে’ম সে’লে রয়েছেন। সেখান থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ফোন করেন বাবা মোজাম্মেল হক কিশোরকে।

এ সময় মিন্নি তার বাবাকে বলেন, ‘বাবা আমাকে কা’রাগা’রের নি’র্জন কক্ষে রাখা হয়েছে। ক’নডে’ম সে’লে আমি ভালো নেই। আমি নির্দোষ। আমি এই খু’নের সঙ্গে জ’ড়িত নই। সত্যের জয় একদিন হবেই। তোমরা ধৈর্য ধর। দ্রুত আপিল করে আমাকে ছাড়ানোর ব্যবস্থা করো। কা’রাগা’রের একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।’
পাঁচ মিনিটের এই ক’থোপক’থনের অধিকাংশ সময়জুড়ে মিন্নি তার বাবাকে দ্রুত আপিল করার কথা বলেন।
কা’রাগা’রে একাকী একটি ক’নডে’ম সে’লে মিন্নি রয়েছেন। বরগুনা কা’রাগা’রে মিন্নি ছাড়া আর কোনও ফাঁ’সির দ’ণ্ডপ্রা’প্ত নেই।

কা’রাগা’রের এক কর্মকর্তা জানান, কা’রাগা’রের এক কর্মকর্তা জানান, ক’নডে’ম সে’লে মিন্নি একা। ওই সে’লের পাহারায় রয়েছেন একজন নারী কা’রার’ক্ষী। কা’রাবি’ধি অনুযায়ী ফাঁ’সির আ’সামি হিসেবে মিন্নিকে কয়েদির পোশাক দেওয়া হয়েছে। সাদা রঙের শাড়ির ওপর নীল স্ট্রাইপ রয়েছে। এটা সব নারী ফাঁ’সির আ’সা’মিদের দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী দুটি শাড়ি তাকে দেয়া হয়েছে। এছাড়া তাকে দেয়া হয়েছে একটি বালিশ ও কম্বল। এর আগে ফাঁ’সির দ’ণ্ডপ্রা’প্ত আ’সা’মিদের বালিশ দেয়া হতো না। কা’রাবিধি অনুযায়ী তিনটি কম্বল দেওয়া হতো। তার মধ্যে একটি কম্বলকে বালিশ হিসেবে ব্যবহার করতেন আ’সামি’রা।

এদিকে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হক কিশোর বলেছন, আমার মেয়ে জেলখানায় ভালো নেই। সে মা’নসিকভাবে ভে’ঙে পড়েছে। ষ’ড়য’ন্ত্র করে আমার মেয়েকে ফাঁ’সর দ’ণ্ডাদে’শ দেওয়া হয়েছে। আমি এ রায়ের বি’রু’দ্ধে উচ্চ আ’দাল’তে আ’পিল করব।

মিন্নির বাবা আরও বলেন, আমার মেয়ে তার স্বামী রিফাত শরীফকে জীবনের ঝুঁ’কি নিয়ে স’ন্ত্রা’সী’দের হাত থেকে রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। সে একাই রিফাতকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এসব ঘ’টনা দেশের ভিডিওতে দেখেছে। তবু এই মা’মলায় আমার মেয়েকে ফাঁ’সানো হয়েছে।

জেল সুপার আনোয়ার হোসেন বলেন, মিন্নিসহ ফাঁ’সির দ’ণ্ডাদে’শপ্রা’প্ত আ’সা’মিদের সকালে ডাল, সবজি, রুটি; দুপরে ভাত মাছ দেয়া হয়। আবার কখনও ভাত ও মাংস দেওয়া হয়। দুপরে একই ধরনের খাবার থাকে।
গেলো বুধবার রিফাত হ’ত্যা মা’মলার রায়ে তার স্ত্রী মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃ’ত্যুদ’ণ্ডাদে’শ দেওয়া হয়। এরপর থেকে মিন্নিসহ ফাঁ’সির দ’ণ্ডপ্রা’প্ত সবাইকে বরগুনা জেলা কা’রাগা’রে রাখা হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর ছয় আ’সামি’কে বিকেল তিনটার দিকে কা’রাগা’রে নেয়া হয়। রায় শোনার পর থেকেই মিন্নি বিষণ্ন হয়ে পড়েন। সেই বিষণ্নতা ক’নডে’ম সে’লে আরও বেড়েছে। রাতে খাবারদাবার দেওয়া হলে সামান্য খেয়েছেন।

গেল বছরের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাতকে নৃ’শং’সভা’বে ধা’রা’লো ‘দা দিয়ে কো’পা’নো হয়। তারপর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি মা’রা যান।

ad

পাঠকের মতামত