341609

ফাঁ’সির আদেশের পরই মিন্নি গ্রে’ফতার

জেলা প্রতিনিধিঃ বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে কু’পিয়ে হ’ত্যার ঘ’টনায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রে’ফতার দেখিয়েছে পুলিশ। বর্তমানে পুলিশ হে’ফাজতে রয়েছেন মিন্নি।

বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনের ফাঁ’সির আদেশের পরই মিন্নিকে হে’ফাজতে নেয় পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আ’ইনজীবী বরগুনার নারী ও শিশু নি’র্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান বাবু।

তিনি বলেন, রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনের ফাঁ’সির আদেশ দিয়েছেন আ’দালত। রায় ঘোষণার পরপরই মিন্নিকে পুলিশ হে’ফাজতে নেয়া হয়। ফাঁ’সির দ’ণ্ডপ্রা’প্ত সবাইকে কা’রাগারে পাঠানো হবে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ২টার দিকে এ মা’মলার রায় ঘোষণা করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আ’দালতের বি’চারক মো. আছাদুজ্জামান।

মা’মলার রায়ে রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনের ফাঁ’সির আদেশ দেন আ’দালত। একই মা’মলায় চারজনকে খা’লাস দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জ’রিমানা করেছেন বি’চারক।

ফাঁ’সির দ’ণ্ডপ্রা’প্তরা হলেন- মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজী (২৩), আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন (২১), মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৯), রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় (২২), মো. হাসান (১৯) ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি (১৯)।

এছাড়া মা’মলায় চার আ’সামিকে বেকসুর খা’লাস দেয়া হয়েছে। খা’লাসপ্রা’প্তরা হলেন- মো. মুসা (২২), রাফিউল ইসলাম রাব্বি (২০), মো. সাগর (১৯) ও কামরুল হাসান সায়মুন (২১)।

রায় ঘোষণার সময় দ’ণ্ডপ্রা’প্ত রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ১০ আসামির মধ্যে মুসা প’লাতক এবং মিন্নি জা’মিনে রয়েছেন। মুসা ব্যতীত বাকিরা রিফাত হ’ত্যাকা’ণ্ডে জ’ড়িত থাকার কথা স্বী’কার করে আ’দালতে স্বী’কারো’ক্তিমূল’ক জ’বানবন্দি দিয়েছিলেন।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে শত শত লোকের ভিড়ে রিফাত শরীফকে (২৫) কু’পি’য়ে হ’ত্যা করা হয়। পরে রিফাতকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা’র একটি ভিডিও ফেসবুকে ভা’ইরাল হয়।

ঘ’টনার পরদিন ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অ’জ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বি’রু’দ্ধে হ’ত্যা মা’মলা করেন নি’হত রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর প্রা’প্তব’য়স্ক ও অ’প্রাপ্তবয়’স্ক দু’ভাগে বিভক্ত করে ২৪ জনের বি’রু’দ্ধে আ’দালতে তদন্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এতে প্রা’প্তবয়’স্ক ১০ জন এবং অ’প্রা’প্তব’য়স্ক ১৪ জনকে অ’ভিযুক্ত করা হয়।

১ জানুয়ারি রিফাত হ’ত্যা মা’মলার প্রা’প্তব’য়স্ক ১০ আ’সামির বি’রু’দ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আ’দালত। এরপর ৮ জানুয়ারি থেকে প্রা’প্তব’য়স্ক ১০ আ’সামির বি’রু’দ্ধে সা’ক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন আ’দালত। এ মা’মলায় মোট ৭৬ জন সা’ক্ষীর সা’ক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

১৬ সেপ্টেম্বর এ মামলার দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আ’দালতের বি’চারক মো. আসাদুজ্জামান রায়ের জন্য বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন।

ad

পাঠকের মতামত