341220

অ’ভিযোগ প্রমাণ হলে যে সা’জা হতে পারে সাহেদের

রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মোহাম্মদ সাহেদের বি’রু’দ্ধে অ’স্ত্র আ’ইনে করা একটি মা’মলার রায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঘোষণা করার জন্য দিন ধার্য রয়েছে। মা’মলায় অ’ভিযোগ প্রমাণ হলে সর্বনিম্ন ১০ বছর থেকে সর্বোচ্চ যা’বজ্জী’বন কা’রাদ’ণ্ড দেয়ার বিধান রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করছে, সাহেদের বি’রু’দ্ধে আনীত অভি’যোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। তাই রায়ে সাহেদের সর্বো’চ্চ শা’স্তি যা’বজ্জীবন কা’রাদ’ণ্ড হবে। অন্যদিকে আ’সামিপক্ষ বলছে, অ’ভিযোগ প্রমাণ হয়নি, সেজন্য সাহেদ খালাস পাবেন।

গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অ’ভিযান চালায় র‌্যাব। অ’ভিযানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে। এ ঘটনার পর পালিয়ে যান সাহেদ। ১৫ জুলাই সাহেদকে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রে’ফতার করে র‌্যাব। পরে তাকে হেলিকপ্টারে করে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় আনা হয়।

করোনা পরীক্ষার নামে ‘ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্র’তারণার অ’ভিযোগে দায়ের করা মা’মলায় ১৬ জুলাই সাহেদকে ১০ দিনের রিমা’ন্ডে নেয়া হয়। এরপর ১৯ জুলাই তাকে নিয়ে উত্তরার বাসার সামনে অ’ভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। সেখানে সাহেদের নিজস্ব সাদা প্রাইভেটকারে পাঁচ বোতল বিদেশি মদ, ১০ বোতল ফেনসিডিল, একটি পি’স্তল এবং একটি গু’লি উ’দ্ধার করা হয়। এরপর উত্তরা পশ্চিম থানায় অ’স্ত্র ও মা’দক নিয়ন্ত্রণ আ’ইনে দুটি মা’মলা করা হয়।

৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাহেদের বি’রু’দ্ধে অ’স্ত্র আ’ইনের মা’মলায় চার্জশিট দাখিল করা হয়। এরপর ২৭ আগস্ট তার বি’রু’দ্ধে অ’ভিযোগ গঠন করেন আদালত। ২০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও আ’সামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৮ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণে সাহেদের বি’রু’দ্ধে আনীত অ’ভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি আমরা। মা’মলায় স’র্বোচ্চ শা’স্তি যা’বজ্জীবন কা’রাদ’ণ্ড। আমরা আশা করছি, রায়ে সাহেদের যা’বজ্জীবন কা’রাদ’ণ্ড হবে।

ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) তাপস কুমার পাল বলেন, সাহেদকে নিয়ে অ’ভিযান পরিচালনার সময় একটি পি’স্তল ও গু’লি উ’দ্ধার করা হয়। আমরা তা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। রায়ে সাহেদের যা’বজ্জীবন কা’রাদ’ণ্ড হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।

তবে সাহেদের আইনজীবী মনিরুজ্জমান বলেন, ‘সাহেদের বি’রু’দ্ধে যে অ’ভিযোগ আনা হয়েছে তা রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি। রায়ে সাহেদ খালাস পাবেন বলে আমরা আশা করছি।’

আ’ইনে যা রয়েছে-সাহেদের বি’রু’দ্ধে মা’মলাটি হয়েছে ১৮৭৮ সালের অ’স্ত্র আ’ইনের ১৯ (এ) ধারায়। এই ধারায় তার বি’রু’দ্ধে অ’ভিযোগ গঠন করা হয়।

আ’ইনের ১৯ (এ) ধারায় বলা হয়েছে, বিনা লাইসেন্সে আ’গ্নে’য়াস্ত্র রেখে কেউ যদি কোনো অ’পরাধ সংঘটন করে, অপ’রাধ যদি পি’স্তল, রি’ভলবার, রাই’ফেল, শ’র্টগান বা অন্য আ’গ্নেয়া’স্ত্র সম্পর্কিত হয় তাহলে তার যা’বজ্জীবন কা’রাদ’ণ্ড বা অন্য কোনো ক’ঠোর কা’রাদণ্ড’ হবে, যার মেয়াদ ১০ বছরের কম হবে না।

উল্লেখ্য, সাহেদের বি’রু’দ্ধে সারাদেশে অর্ধশত মা’মলা রয়েছে। এর বেশিরভাগই প্র’তারণার অ’ভিযোগে করা। ‘মামলাগুলোর মধ্যে এই প্রথম অ’স্ত্র আ’ইনের মা’মলাটির রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে।

সূত্রঃ জাগো নিউজ২৪

ad

পাঠকের মতামত