339419

বাড়িতে পৌঁছানোর কথা বলে বন্ধুর স্ত্রীকে ধ’র্ষণ, আ’টক ৫

স্বামীর বন্ধুসহ চারজন মিলে এক গৃহবধূকে গ’ণধ’র্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিদ্দিক উল্যাসহ পাঁচ জনকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গ্রে’ফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে এবং ওই গৃহবধূর জবানবন্দি রেকর্ড শেষে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের ইউপি ছিদ্দিক উল্যা এবং ধ’র্ষণের দায়ে অভিযুক্ত দিদার, গফুর, সেলিম ও আলমগীর হোসেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭/৮দিন আগে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ওই গৃহবধূর সাথে তার স্বামীর ঝ’গড়া হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে রেগে গিয়ে নিজের বাবার বাড়ি জেলার কোম্পানীগঞ্জে চলে যান তিনি। পরবর্তীতে ঝ’গড়ার বিষয়টি নিজের স্বামীর বন্ধু দিদারকে মুঠোফোনে জানায় ওই নারী। সবকিছু শুনে গত ৫ সেপ্টেম্বর দিদার ফেনী পার্কে তার সাথে দেখা করতে বললে ওইদিন সকালে ফেনীতে যায় গৃহবধূ।

সারাদিন বিভিন্নস্থানে ঘুরে রাতে স্বামীর বাড়ি সেনবাগে পৌঁছে দিবে বলে গৃহবধূকে নিয়ে ফেনী থেকে সেনবাগের উদ্দেশে রওনা দেয় দিদার। রাত ১০টার দিকে কৌশলে সেনবাগের বীজবাগ ইউনিয়নের কাজীরখিল এলাকার সড়কের পাশের একটি নির্জন স্থানে ওই নারীকে নিয়ে গিয়ে দিদারসহ চারজন মিলে পালাক্রমে গ’ণধ’র্ষণ করে পালিয়ে যায়।

গৃহবধূর অভিযোগ, পরদিন সকালে এ বিষয়ে স্থানীয় মেম্বার ছিদ্দিক উল্যাহকে জানালে শালিসি বৈঠকের মাধ্যমে তাকে খারাপ মহিলা আখ্যা দিয়ে মারধর করে পুনরায় বাবার বাড়ি কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে পাঠিয়ে দেয় ছিদ্দিক উল্যাহ। ঘটনার কোনো বিচার না পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ওই গৃহবধূ সেনবাগ থানায় হাজির হয়ে দিদারসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মাম’লা দায়ের করেন।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মা’মলার পর রাতেই বীজবাগের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলায় অভিযুক্ত ৫ জনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। মা’মলার অপর আ’সামিদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ad

পাঠকের মতামত