গোপনেও আমিরাত সফর করেছিলেন নেতানিয়াহু ও মোসাদ প্রধান
২০১৮ সালে গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সফরে করেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু। শুধু নেতানিয়াহুই না, তার সফরঙ্গীন হন দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা-মোসাদের প্রধান ইয়োসি কোহেন।
ওই সফরে আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী এবং মোসাদ প্রধান। এ বিষয়ে ইসরাইলি প্রভাবশালী গণমাধ্যম ইদিওথ অহরনোথের বরাতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) খবর প্রকাশ করেছে তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি। যদিও তখনকার আমিরাত সফর গোপন রাখে তেল আবিব।
এদিকে, সোমবার (৩১ আগস্ট) ইসরাইলি পতাকাবাহিনী বিমানটি তেল আবিব থেকে উড্ডয়ন করে। ফ্লাইটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগীদের সঙ্গে রয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু।
মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের জামাতা হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ওব্রায়ান। ইসরাইলি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্ট মিয়ের বেন-সাব্বাত।আমিরাত-ইসরাইল চুক্তি ওই অঞ্চলে শান্তির নতুন যুগের সূচনা করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন কুশনার।
এদিকে, ১৩ আগস্ট আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চুক্তিতে পৌঁছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দীর্ঘদিন ধরেই দেশ দুটির মধ্যে সতর্কতার সঙ্গে বাণিজ্য এবং প্রযুক্তিখাতে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তথাকথিত ‘আব্রাহাম চুক্তির’ বিষয়টি ঘোষণা করেন। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী দখলকৃত পশ্চিমতীরে নিজেদের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা প্রত্যাহারে রাজি হয় ইসরাইল।
যদিও পরে তেল আবিবে সংবাদ সম্মেলনে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে চুক্তির অংশ হিসেবে সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা স্থগিত করতে রাজি হয়েছেন তিনি। তবে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এখনো বিবেচনাধীন বলে জানান নেতানিয়াহু।
জর্ডান এবং মিশরের পর তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে ইসরাইলের সঙ্গে চুক্তিতে সম্মত হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত।




