337023

স্বাস্থ্য খাতের দু’র্নীতি’তে আলোচিত আবজাল কা’রাগারে

নিউজ ডেস্ক।।  বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অ’ভিযো’গে দু’র্নী’তি দমন কমিশনের (দুদক) দুই মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আলোচিত অফিস সহকারী আবজাল হোসেন বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপরে আ’দালতে আত্ম’সমর্পণ করে জামিন চাইলে আ’দালত তা নামঞ্জুর করে কা’রাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ডিবিসি টিভি ও বাংলানিউজ

এর আগে রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে আবজাল হোসেন ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আ’দালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আ’ত্মসমর্পণের আবেদন দিয়েও তা প্রত্যাহার করে নেন। দুদকের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০১৯ সালের ২৭ জুন দুদক উপ-পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ কার্যালয়ে অবৈধ সম্পদ অর্জন, মানি লন্ডারিং এবং দু’র্নীতি প্র’তিরোধ আ’ইনে মা’মলা দুটি করেন।

মা’মলা দুটিতে আবজাল দম্পতির বি’রুদ্ধে ৩৬ কোটি ৩০ লাখ ৬১ হাজার ৪৯৩ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগ দখলে রাখার অ’ভিযোগ আনা হয়েছে। মা’মলায় দীর্ঘ সময় ধরে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে ২৮৪ কোটি ৫১ লাখ ১৩ হাজার ২০৭ টাকার মানি লন্ডারিং অপ’রাধের অ’ভিযোগও করা হয়েছে।

আবজালের বিরু’দ্ধে করা মা’মলায় ৪ কোটি ৭৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অ’ভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি দুদকে পেশ করা সম্পদ বিবরণীতে দুই কোটি ২ লাখ এক লাখ ১৯ হাজার ৭৮৫ টাকার সম্পদ গোপন করেছেন বলে মা’মলায় উল্লেখ রয়েছে। আবজাল ও তার স্ত্রী রুবিনা খানমকে যৌথভাবে আ’সামি করে করা মা’মলায় ৩১ কোটি ৫১ লাখ ২৩ হাজার ৪৪ টাকার সম্পদের কথা বলা হয়েছে। তিনি দুদকের কাছে ৫ কোটি ৯০ লাখ ২৮ হাজার ৯২৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন বলে মাম’লায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মা’মলায় বলা হয়, আবজালের নামে থাকা সম্পদের চেয়ে তার স্ত্রীর নামে সম্পদের পরিমাণ বেশি। অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতে তিনি স্ত্রীর নামে সম্পদ করেছেন। এসব সম্পদের বৈধ উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। এজাহারে আবজালের নামে ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৩২ হাজার ৩২ টাকার মানি লন্ডারিং অ’পরা’ধের প্রমাণ মিলেছে। রুবিনা খানমের বি’রুদ্ধে ২৬৩ কোটি ৭৬ লাখ ৮১ হাজার ১৭৫ টাকার মানি লন্ডারিং অ’পরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

 

ad

পাঠকের মতামত