পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর প্রথম কোন মা’মলার রায় দিতে যাচ্ছেন আদালত
পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু নিবারণ আইনে করা প্রথম কোন মা’মলার রায় দিতে যাচ্ছেন আদালত। রাজধানীর পল্লবীর বাসিন্দা জনিকে থানায় পি’টিয়ে হ’ত্যার মা’মলায় আগামী ৯ সেপ্টেম্বর রায় দিবেন আদালত। এ মা’মলায় ৩ পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৫ জন আ’সামি। তাই এ রায়ের দিকে তাকিয়ে আছেন আইনজীবীরা। ভুক্তভোগী পরিবারে প্রত্যাশা, রায়ে সর্বোচ্চ সাজা হবে আ’সামিদের।
বন্ধুর গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে পুলিশ সোর্সের অ’শালীন আ’চরণের প্রতিবাদ করাই কাল হয়ে ওঠে ঝু’ট ব্যবসায়ী ইশতিয়াক হোসেন জনির। ২০১৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বাসা থেকে জনি ও তার ভাই রকিকে থানায় ধরে নিয়ে যায় সোর্স সুমন ও পল্লবী থানা পুলিশ। এরপর রাতভর পে’টানো হয় তাকে। এক পর্যায়ে মা’রা যায় জনি। ভাইয়ের হ’ত্যার বিচার চেয়ে আদালতে নি’র্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে মা’মলা করেন রকি।
পুলিশের বিরুদ্ধে মা’মলা করার পর পদে পদে হয়’রানির শিকার হতে হয় তাদের। ৬ বছরের দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার শেষ হলো বিচার। নি’হত জনির পরিবারের প্রত্যাশা, রায়ে দোষীদের সর্বোচ্চ সা’জা হবে।
জনির ভাই রকি বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে একটা মা’মলার ৭ বছর আমার জীবন থেকে চলে গেছে। এটা আমি বলতে পারবো না, আমাদের কি কি পেতে হয়েছে। এ মা’মলায় সুষ্ঠু বিচার হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যে আইনের ঊর্ধ্বে নন- এমন বার্তা পৌঁছাবে বলে আশাবাদ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস কুমার পাল বলেন, পুলিশ হেফাজতে যদি কেউ মা’রা যায় তার জন্য এই আইনটি কার্যকর করা হয়। এমন আইনের প্রথম কোন মা’মলায় রায় হতে চলেছে।
এ মা’মলায় প্রধান আ’সামি এসআই জাহিদ ও পুলিশের দুই সোর্স গ্রেফতার আছেন। তবে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেয়ার পর পলা’তক অপর ২ আ’সামি এসআই রাশেদুল ও এ এসআই কামরুজ্জামান। সূত্রঃ সময় টিভি




