335784

প্রেমিকার ঘর থেকে আটক ইউপি সদস্য ধ’র্ষণ মামলায় কারাগারে!

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) আট নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইন্তাজ আলীকে আপত্তিকর অবস্থায় আটকের পর ধ’র্ষণ মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে ওই মামলায় ইউপি সদস্যকে গ্রে’ফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) গভীর রাতে তাকে উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের এবং গৃহবধূর ঘর আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

যদিও এ ঘটনার পর ওই গৃহবধূ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধ’র্ষণের অভিযোগে মামলা করেছে থানায়। মঙ্গলবার তাকে ওই মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। এছাড়া ওই গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ওই গৃহবধূর সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে প’রকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চালছিল ইউপি সদস্য ইন্তাজ আলীর। সোমবার রাতে অনৈতিক কাজের জন্য ওই বাড়ি যান। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেলেন। পরে সকালে পুলিশ গিয়ে ইন্তাজ আলীসহ ওই গৃহবধূকে থানায় নিয়ে আসেন।

এরপর ঘটনার দৃশ্যপট পাল্টায়। ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় ধ’র্ষণের মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার বিকেলে ওই মামলায় ইউপি সদস্যকে গ্রে’ফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এছাড়া ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই গৃহবধূকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়।

ঘটনার পর বাউসা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান শফিক বলেন, আটক হওয়ার পর ওই গৃহবধূ ধ’র্ষণের মামলা করেছেন। কিন্তু এটি প’রকীয়া প্রেমের সম্পর্কের ঘটনা ছিল বলেই স্থানীয় সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন।

রাজশাহীর বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, ওই গৃহবধূ দুই সন্তানের জননী। তার স্বামী রয়েছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ ধ’র্ষণের অভিযোগ করায় তার মামলা নেওয়া হয়েছে। আর আইন অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এজন্য ওই গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান বাঘা থানার ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

ad

পাঠকের মতামত