ধ,র্ষিতা কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি না হতে পরামর্শ মাতব্বরদের!
ধ,র্ষণের শাস্তি মাত্র ১৫ বার জুতাপে,টা। মাদারীপুরে কিশোরীকে ধ,র্ষণের পর ইউপি চেয়ারম্যান সালিশ ডেকে এভাবেই বিচার করেন ধ,র্ষকের। মা,মলা করতেও নিরুৎসাহিত করেন। প্রভাবশালীদের বি,রুদ্ধে মুখ খুলতে ভ,য় পাচ্ছে নি,র্যাতিতার পরিবার। তবে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশ সুপার।
মাদারীপুর সদরের পাঁচখোলা ইউনিয়নের এক কিশোরীকে মঙ্গলবার বিকেলে বাড়ি থেকে ডেকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় পাশের বাড়ির ভ্যানচালক মামুন। পরে ১৪ বছরের ওই কিশোরীকে ধ,র্ষণ করে। কিশোরীর চিৎকারের আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় মামুন। বিষয়টি স্থানীয় মাতব্বরদের জানালে চেয়ারম্যানের মাধ্যমে গত বুধবার মীমাংসায় বসে উভয়পক্ষ।
পরে অভিযুক্তকে ১৫ বার জুতা দিয়ে মারেন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। পাশাপাশি নি,র্যাতিতার পরিবারকে মা,মলা করতে নি,ষেধ করে দেন। এ ঘটনার পর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় নেতাদের বি,রুদ্ধে মুখ খুলতে ভ,য় পাচ্ছে ওই কিশোরীর পরিবার ও এলাকাবাসী।
ধ,র্ষণের ঘটনার পর কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি না হতে পরামর্শ দেয় স্থানীয় মাতব্বররা। বিষয়টি জানার পর ক্ষো,ভ জানিয়ে বিচার দাবি করেন মানবাধিকার কর্মীরা।মানবাধিকার কর্মী সুবল বিশ্বাস বলেন, স্থানীয়ভাবে কোনোভাবেই এটার মী,মাংসা করা সম্ভব নয়।
জেলার পুলিশ সুপার জানান, তদন্ত করে নেয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হান্নান বলেন, এটা মা,মলা যোগ্য অ,পরাধ, এটা মী,মাংসা করা সম্ভব নয়।
এ ব্যাপারে পাঁচখোলা ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান আকতার হাওলাদারের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। আর একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।




