335109

হ’ত্যার পর আলামত ধ্বং’স করতে পু’ড়িয়ে ফেলা হয় লা’শ

নিউজ ডেস্ক।। রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় স্কুলছাত্র আরিফ হোসেনকে (১৯) নৃ’শংসভা’বে হ’ত্যার পর ম’রদেহ পু’ড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার প্রায় দেড় বছর পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

গতকাল বৃহস্পতিবার চা’ঞ্জল্যকর এ হ’ত্যা মা’মলার ত’দন্ত কর্মকর্তা পিবিআইর পরিদর্শক আবদুল মান্নান হ’ত্যারহস্য উ’দ্ঘাটনের বিষয়টি অ’বহিত করেন।

জমি নিয়ে বি’রোধে’র জে’র ধরেই স্কুলছাত্র আরিফকে নৃ’শংসভাবে হ’ত্যা করা হয়েছিল বলে জানান তিনি। আ’লামত ধ্বং’স করতেই হ’ত্যার পর আরিফের লা’শ পু’ড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। স্কুলছাত্র আরিফ হ’ত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জ’ড়িত থাকার দায়ে পিবিআই মিজানুর রহমান (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রে’প্তার করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে হ’ত্যার রহস্য উন্মোচন হয়।

এর পর হ’ত্যার দায় শি’কার করে আ’দালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন মিজানুর। তার বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার রুস্তমপুর ভারতীপাড়ায়। তিনি ইব্রাহিম আলীর ছেলে ও পেশায় ভ্যানচালক। রাজশাহীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জল মাহমুদ অ’ভিযুক্ত গ্রে’প্তার মিজানুরের জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন।

পিবিআইর পরিদর্শক আবদুল মান্নান জানান, গত মঙ্গলবার মিজানুরকে গ্রে’প্তারের পর তিনি হ’ত্যাকা’ন্ডে জ’ড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। আদালতে জবানবন্দিতে মিজানুর জানিয়েছেন, স্কুলছাত্র আরিফের সঙ্গে তার চাচা কুদ্দুসের জমি নিয়ে বি’রোধ ছিল। এর জেরে আরিফকে হ’ত্যা করা হয়। কুদ্দুস ছাড়াও হ’ত্যাকাণ্ডের সময় মিলন ও মজনু নামে আরও দুজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রথমে শ্বাসরোধ করে আরিফকে হ’ত্যা করা হয়। এর পর আ’লামত ধ্বং’সের জন্য ম’রদেহ পু’ড়িয়ে দেওয়া হয়।

এর আগে ২০১৮ সালের ১৩ ডিসেম্বর রাজশাহীর বাঘায় আগুনে পুড়িয়ে স্কুলছাত্র আরিফকে হ’ত্যা করা হয়। আরিফ ওই উপজেলার রস্তমপুর ভারতিপাড়া গ্রামের মহির উদ্দীনের ছেলে। আরিফ হোসেন পাশের উপজেলা চারঘাটের পান্নাপাড়া ভোকেশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল। পরে খবর পেয়ে ম’রদেহ উদ্ধার করে বাঘা থানা পুলিশ। প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেনের আমবাগানের পাশের খাল থেকে তার ম’রদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ ঘটনায় আরিফের মা আছিয়া বেগম থানায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে আ’সামি করে হ’ত্যা মা’মলা করেন।

ad

পাঠকের মতামত