এএসআইকে চড় মা’রলেন ওসি! ভিডিও ভাই’রাল
নিউজ ডেস্ক।। কক্সবাজারে পুলিশের গু’লিতে নি’হত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের সহযোগী কারাবন্দী শাহেদুল ইসলাম সিফাতের মুক্তির দাবিতে চলা মানববন্ধনে দায়িত্বরত পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) চ’ড় মে’রেছে’ন বরগুনার বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াস হোসেন।
গতকাল শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বামনা উপজেলার কলেজ রোডে এ ঘটনা ঘটে। ওসির চড় খাওয়া পুলিশ কর্মকর্তাও বামনা থানায় কর্মরত। এএসআইকে ওসির চ’ড় মা’রার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভা’ইরাল হয়ে গেছে। এ ঘটনায় অনেকেই ওসি ইলিয়াসের সমালোচনা করছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল শনিবার দুপুর ১২টায় সিফাতের নিজগ্রাম বরগুনার বামনায় মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু করে তার সহপাঠীরা। বামনার কলেজ রোড সড়কে শান্তিপূর্ণভাবে চলা এ মানববন্ধনে হঠাৎই বামনা থানা পুলিশের একটি টিম আসে। তারা মানববন্ধনকারীদের ব্যানার ফেস্টুন ছিনিয়ে নেয়। এ মানববন্ধন কর্মসূচি এরপরও চলছিল।
এ ঘটনার একটু পর ঘটনাস্থলে আসেন বামনা থানার ওসি মো. ইলিয়াস হোসেন। তিনি ঘটনাস্থলে এসেই মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের গালমন্দ শুরু করে লাঠিচার্জের নির্দেশ দেন। সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা লাঠিচার্জ শুরুর আগেই ওসি ইলিয়াস হোসেন উত্তেজিত হয়ে ওই এএসআইয়ের বাম গালে একটি চড় মা’রেন। প্রকাশ্যে এক পুলিশ সদস্যের গালে অপর পুলিশ সদস্যের চড় দেওয়ার এ দৃশ্য দেখে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেওয়ায় তারা মানববন্ধন বাদ দিয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন।
তবে এ ঘটনায় থেমে থাকেনি পুলিশ। এরপরও তারা মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের ওপর লঠিচার্জ করে। আর চড় খাওয়া ওই এএসআই’ও ওসি ইলিয়াস হোসেনের নির্দেশনা পালন করে লাঠিচার্জ করেন। এ ছাড়াও ওসি ইলিয়াস হোসেন তার অধনস্ত পুলিশ সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন বলেও জানান প্রতক্ষদর্শীরা।
শারীরিকভাবে লাঞ্চনার শিকার ওই সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বলেন, ‘আমি মানসিকভাবে খুব হতাশায় ভুগছি। পারিবারিক এবং সামাজিক দিক দিয়ে চরম লাঞ্ছনার শি’কার হচ্ছি। তাই এ বিষয়ে আমি কথা বলতে চাচ্ছি না।’
এ বিষয়ে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াস হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মফিজুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা জেনেছি। এ ঘটনার আমরা ত’দন্ত করব। ত’দন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’ উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।
https://www.youtube.com/watch?v=QP_qEpwjU6w&feature=emb_title






