333734

বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার মানবিকতা

নিউজ ডেস্ক : সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের চারটি গ্রাম- জামশেদপুর, ধলীপাড়া, মাখরগাঁও এবং আমতৈল মিলে বৃহত্তর আমতৈল গ্রাম নামে পরিচিত।

আমতৈল গ্রামে প্রতিব’ন্ধিতার হার সিলেটের সামগ্রিক হা’রের তু’লনায় দ্বিগুণেরও বেশি। মান’বিক এ বিষয়টি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা তার বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃ’ষ্টিতে আনেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি তৎ’ক্ষণাৎ আমলে নেন। তিনি রামপাশা ইউনিয়নের ৪৬১ জন প্রতিব’ন্ধীকে জনপ্রতি ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রতি পরিবারের জন্য একটি লুঙ্গি ও একটি শাড়ি বরাদ্দের জন্য ১৬ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করেন।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূ’ত্রে এসব ত’থ্য জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে আমতৈল গ্রামের বর্তমান প্রতিব’ন্ধী শিশুদের সুস্থতা এবং ভবিষ্যতে সুস্থ প্রজ’ন্ম নিশ্চি’ত করার নির্দে’শনা দিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর সাত দফা নির্দে’শনায় রয়েছে, ১. গ্রামের সব প্রতিব’ন্ধীর সমস্যা যথাযথভাবে চি’হ্নিত করে বিশেষ প্রতিব’ন্ধী ভাতার আওতায় আনতে হবে। ২. সবাইকে স্বাস্থ্য সুরা ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাউন্সে’লিং করা। ৩. নিজ বাসস্থানসহ আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছ’ন্ন রাখার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

৪. খাদ্যের সব পুষ্টিমান নিশ্চি’ত করতে ভিটামিন সা’প্লিমে’ন্টারি ওষুধ সরবরাহ এবং সুপেয় পানির সুব্যবস্থা করা। ৫. গ্রামে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট, ব’র্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রে’নেজ সিস্টে’ম চালু এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে। ৬. প্রতিব’ন্ধীদের চাহিদা মোতাবেক বহুমাত্রিক শিা প্রদানের ব্যবস্থা করে প্রতিব’ন্ধী স্কুল স্থাপন ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ করা এবং ৭. চাহিদামাফিক প্রয়োজনীয় সহায়ক উপকরণ যেমন- হুইল চেয়ার, ট্রা’ইসাইকেল, হে’য়ারিং ডিভা’ইস ও দৃ’ষ্টি সহায়ক উপক’রণ সরবরাহ করতে হবে।

ad

পাঠকের মতামত