বিয়ের প্র’লোভনে নারী আইনজীবীকে ১৭ মাস ধরে ‘ধ’র্ষ’ণ’, চিকিৎসক আ’টক
নিউজ ডেস্ক।। রাজশাহী মহানগরীতে এক চিকিৎসকের বি’রুদ্ধে বিয়ের প্র’লোভনে ধ’র্ষণ করে ডিডিও ধারণ এবং সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভ’য় দেখিয়ে ১৭ মাস ধরে এক নারী আ’ইনজীবীকে ধ’র্ষণ করার অ’ভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই নারীর অভি’যোগের পর আজ শনিবার নগরীর রাজপাড়া থানা পুলিশ অ’ভিযুক্ত চিকিৎসককে আ’টক করেছে।
বর্তমানে ভুক্তভোগীসহ অ’ভিযুক্ত ডাক্তারকে রাজপাড়া থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। অ’ভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের নাম সাখাওয়াত হোসেন রানা (৪০)। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলায়।
ভু’ক্তভোগী নারীর অভিযোগ থেকে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে ডা. রানার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর বিয়ের প্র’লোভন দেখিয়ে কৌশলে তাকে ধর্ষ’ণ করে ভিডিও ধারণ করে রাখেন রানা। তারপর সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভ’য় দেখিয়ে ১৭ মাস ধরে তাকে ধ’র্ষণ করে যাচ্ছিলেন তিনি।
রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেন অ’ভিযুক্ত নারীর বরার দিয়ে জানান, ডা. রানার স্ত্রী-সন্তান আছে। তিনি রাজশাহী নগরীর টিকাপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। আর ভু’ক্তভোগী নারীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এবং তিনি রাজশাহী জেলা জজ আ’দালতে শিক্ষানবীশ আ’ইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। তিনি নগরীর ডিসি অফিস এলাকার একটি বাড়িতে বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে ভাড়া থাকেন।
ওসি শাহাদাত জানান, আজ সকালে ডা. রানা ওই নারীর ভাড়া বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে জোর করে শা’রীরি’ক সম্পর্ক স্থাপন করতে চান। এ সময় ওই নারীর বান্ধবী (রুমমেট) পুলিশের জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে কল দেন এবং আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানান। তখন এলাকাবাসী ওই চিকিৎসককে আ’ট’কে রাখেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে রাজপাড়া থানায় নিয়ে আসে। আর ভুক্তভোগী ওই নারীকেও থানায় আনা হয়।
এদিকে অ’ভিযুক্ত চিকিৎসক পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের জায়গা থেকেই তাদের মধ্যে শা’রীরি’ক সম্পর্ক হয়েছে।
ওসি বলেন, ‘ভুক্তভোগী কোনোকিছুই খাচ্ছেন না, শুধু কান্নাকাটি করছেন। যার কারণে এখনো মা’মলা হয়নি। ওই নারী স্বাভাবিক হলে একটি ধ’র্ষণ মা’মলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।’
পু’লিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মা’ম’লা দায়ের হলে ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে। আর অ’ভিযুক্ত চিকিৎসককে আ’দালতের মাধ্যমে জে’লহাজতে পাঠানো হবে।’ উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।






