332430

বাংলাদেশে মৃ’ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চৌধুরী মঈন উদ্দিন ক্ষ’তিপূ’রণ চেয়ে মামলা করলেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বি’রু’দ্ধে

প্রবাস ডেস্ক।। বৃটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল চৌধুরী মঈন উদ্দিনকে যু’দ্ধাপ’রাধী হিসেবে আখ্যায়িত করে একটি রিপোর্ট টুইটারে শেয়ার করার পর এই মা’মলা’য় ৬০ হাজার পাউন্ড দাবি করা হচ্ছে। ডেইলি মেইল।

মা’মলা’য় বলা হচ্ছে, কমিশন ফর কাউন্টারিং এক্সট্রিমিজমের ডকুমেন্ট গত বছর ‘চ্যালেঞ্জিং হেটফুল এক্সট্রিমিজম’ ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের টুইটার একাউন্টে শেয়ার করা হয়েছে। এই একাউন্টের অনুসারী প্রায় ১০ লাখ। এতে মঈনের মানহানি হয়েছে।

এই টুইটে রিটুইট করেছেন বৃটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল, বিবিসির সাংবাদিক মিশাল হুসেইন, মানবাধিকার বিষয়ক ক্যাম্পেইনার পিটার ট্যাটচেল। ওই রিপোর্টে চৌধুরী মঈন উদ্দিনকে অভিহিত করা হয়েছে ভ’য়াবহ স’হিংস অপ’রাধের জন্য দায়ী হিসেবে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যু’দ্ধের সময় মা’নবতাবিরোধী অপ’রাধ।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যু’দ্ধে মুক্তিযোদ্ধা’দের বি’রুদ্ধে হ’ত্যাকাণ্ডে তিনি জ’ড়িত ছিলেন বলে আ’দালতে প্রমাণিত। কিন্তু অব্যাহতভাবে এ অ’ভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন চৌধুরী মঈন উদ্দিন।

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট কমিশন ফর কাউন্টার এক্সট্রিমিজম প্রকাশিত একটি রিপোর্টের সঙ্গে এসব বিষয় সংশ্লিষ্ট। কমিশনের স্পন্সর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হলেও, আমরা এখন মন্তব্য করতে পারছি না যে, আ’ইনি প্রক্রিয়া চলমান বলে।

মুসলিম কাউন্সিল অব গ্রেট বৃটেন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেছিলেন চৌধুরী মঈন উদ্দিন। তিনি ইস্ট লন্ডন মসজিদের ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালে ২০০৩ সালে বৃটেনে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হন। নর্থ লন্ডনে বসবাসকারী মঈন উদ্দিন চার সন্তানের জনক। তার দাবি, তিনি কোনো যু’দ্ধাপ’রাধ করেন নি।

সাত বছর আগে বাংলাদেশে তার অনুপস্থিতিতে চৌধুরী মঈন উদ্দিনকে মানবতা বি’রোধী অপ’রাধে অ’ভিযুক্ত করা হয়। অ’ভিযোগে বলা হয়, স্বাধীনতা যু’দ্ধের সময় তিনি একটি মিলিশিয়ার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ১৮ বুদ্ধিজীবী হ’ত্যায়। এ অ’পরাধে তার বি’রুদ্ধে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অ’পরাধ ‘আ’দালত ফাঁ’সি ঘোষণা করে।

চৌধুরী মঈন উদ্দিন এই আ’দালত সম্পর্কে ব্যাপক সমালোচনা করেন। তিনি লিবারেল ডেমোক্রেট দলের লর্ড কার্লিলের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন কার্লিল এই আ’দালতকে উদ্দেশ্য সম্পর্কে যোগ্য নয় বলেছেন। কার্লিল মঈন উদ্দিনের বি’রুদ্ধে এই মা’মলাকে প্রহসন ছাড়া কিছু নয় বলে মন্তব্য করেছিলেন।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যু’দ্ধের পর দেশ ছাড়েন মঈন উদ্দিন এবং ব্রিটেনে এসে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পান।

ad

পাঠকের মতামত