332105

স্বেচ্ছায় করোনাক্রা’ন্ত হওয়ার আহ্বান বিজ্ঞানীদের!

নিউজ ডেস্ক।। নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সং’ক্রমণে দিশেহারা গোটা বিশ্ব। প্রতিদিনই বাড়ছে আ’ক্রান্ত ও মৃ’তের সংখ্যা। মানবজাতিকে এই ভাইরাসের ভ’য়াল থাবা থেকে বাঁ’চাতে প্রতিষেধক আবিষ্কারে দিনরাত চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।

কয়েকটি ভ্যাকসিন ইতোমধ্যে হিউম্যান ট্রায়ালের বিভিন্ন ধাপেও রয়েছে। তবে শতভাগ কার্যকর প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত সকলকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

তবে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি নোবেল বিজয়ী ১৫ জন বিজ্ঞানীসহ শতাধিক বিজ্ঞানী ও অন্যান্য খাতের সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একটি দল মানুষকে স্বেচ্ছায় প্রা’ণঘা’তী করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা এ সং’ক্রা’ন্ত একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করে তা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা ইউএস ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের প্রধানের কাছে পাঠিয়েছেন।

বিজ্ঞানীদের এ চিঠি পাঠানোর পেছনে একটি মহৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। তা হলো মানবদেহে পরীক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ে থাকা কোভিড-১৯ প্রতিরোধী সম্ভাব্য প্র’তিষে’ধকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখা।

ওই চিঠিতে বিজ্ঞানীরা লিখেছেন, স্বেচ্ছায় করোনাভাইরাস আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার তথকথিত এই ‘চ্যা’লেঞ্জ ট্রা’য়াল’ ভাইরাসটি প্র’তিরো’ধী ভ্যাকসিন আবিষ্কারের কাজকে আরো তরান্বিত করবে। যা লাখ লাখ মানুষের জীবন বাঁ’চ’তে সাহায্য করবে।

এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী প্রতিষেধক আবিষ্কার কর্মসূচির পরিচালক বলছেন, এই ধরনের গবেষণা চলানো গেলে তা তথ্যসমৃদ্ধ হবে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বর্তমানে সারাবিশ্বে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ২৩টি প্র’তিষে’ধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। যা পরীক্ষা করার একমাত্র উপায় হচ্ছে, মানুষকে স্বেচ্ছায় এই ভাইরাসে সং’ক্র’মিত করা। মানুষ এই প্র’তিষে’ধক তাদের শরীরে নেওয়ার পর তাদের দৈনন্দিন কাজের পরিবেশে নিজেকে আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার সুযোগ করে দিলে বোঝা যাবে তারা সং’ক্রমি’ত হন কি না। আর এর মাধ্যমে বোঝা যাবে সম্ভাব্য প্র’তিষেধক’টি প্রা’ণঘা’তী এ ভাইরাস প্র’তিরো’ধে সক্ষম কি না।

আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে প্রা’ণঘা’তী করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন ১ কোটি ৩৭ লাখের বেশি মানুষ। মা’রা গেছেন প্রায় ৫ লাখ ৮৮ হাজার। আর চিকিৎসা শেষ সুস্থ হয়েছেন ৮১ লাখের বেশি।

ad

পাঠকের মতামত