332101

ভু’য়া চিকিৎসকের ভিজিট এক হাজার টাকা!

নিউজ ডেস্ক।। মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা না করেই নামের আগে লিখতেন ডাক্তার। নেই বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশনও। এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয়ে রোগীদের সঙ্গে প্র’তার’ণা করে আসছিলেন মানিকগঞ্জের খাগড়াকুড়ি গ্রামের প্রমোদ চক্রবর্তী।

অথচ বিভিন্ন জায়গায় চেম্বার খুলে ২০০ থেকে ১ হাজার টাকা ভিজিট নিয়ে রোগীদের দিতেন ব্যবস্থাপত্র।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর তাকে দুই লাখ টাকা জ’রিমা’না করেছে। রানা হোসেন নামে এক ব্যক্তির অ’ভিযো’গের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে জ’রিমা”না করা হয়।

সূত্রে জানা গেছে, এমবিবিএস পদবী ব্যবহার করে প্রমোদ চক্রবর্তী মানিকগঞ্জের সুপার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সিংগাইরের বাস্তা ও সাহরাইল ফার্মেসি, সাভার আধুনিক হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত রোগী দেখতেন। স্থানভেদে তিনি রোগীদের কাছ থেকে ভিজিট নিতেন ৩০০ থেকে ১০০০ টাকা । নিজের হাতেই করতেন অপারেশন।

মানিকগঞ্জ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়ে প্র’তার’ণার শি’কা’র রানা হোসেন নামে এক ব্যক্তি গত ১ জুলাই ওই চিকিৎসকের বি’রু’দ্ধে লিখিত অ’ভি’যোগ করেন। ত’দ’ন্ত ও শুনানি শেষে অ’ভি’যুক্ত প্রমোদ চক্রবর্তীকে ভোক্তা অ’ধি’কার সং’র’ক্ষণ আ’ই’ন এর ৪৪ ধারায় দুই লাখ টাকা জ’রিমা’না করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যবস্থাপত্রে ব্যবহৃত পদবীর স্বপক্ষে কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি প্রমোদ চক্রবর্তী। তিনি কলকাতা থেকে এগারো ক্লাস পাস করে অল্টারনেটিভ মেডিসিন বিষয়ে কোর্স করেছেন। কিন্তু বিএমডিসির কোনো রেজিস্ট্রেশন তার নেই। ডা. পদবী, এমবিবিএস (ঢাকা), পিজিটি (সার্জারি), মেডিকেল অফিসার, মা ও শিশু রোগে অভিজ্ঞ ইত্যাদি খেতাব ব্যবহার করে এতদিন তিনি প্র’তার’ণা করে আসছিলেন। ভবিষ্যতে তিনি আর এই ধরনের প্র’তার’ণা করবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস জানান, এমবিবিএস পদবী ব্যবহার করে প্রমোদ চক্রবর্তী সাধারণ রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। সুনির্দিষ্ট অ’ভিযো’গের প্রেক্ষিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর তাকে জ’রিমা’না করেছে। সেই সঙ্গে ভোক্তা অ’ধিকা’র আ’ই’ন মোতাবেক আরোপিত জ’রিমানা’র ২৫% হিসেবে ৫০ হাজার টাকা অ’ভিযোগ’কারী’কে প্রদান করা হয়েছে। উৎস: সময়নিউজ।

ad

পাঠকের মতামত