যে ওষুধে কমছে করোনার ঝুঁ’কি
ডেস্ক রিপোর্ট।। করোনা ভাইরাসে মহামারি তা’ণ্ডবে বি’পর্যস্ত পুরোবিশ্ব। প্রতিদিনই বাড়ছে ভাইরাসটিতে আ’ক্রান্ত ও মৃ’তের সংখ্যা। এর প্রতিষেধক আবিষ্কারে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। এমন পরিস্থিতিতে এ নিয়ে সুখবর দিল জেরুজালেমের হিব্রু ইউনিভার্সিটির গবেষকরা।
তাদের দাবি, বিখ্যাত কোলেস্টরল কমানোর ওষুধ ফেনোফাইব্রেটে করোনা ভাইরাসে মা’রণ ক্ষমতা কমছে।
গবেষকরা দাবি করছে, এই ওষুধ প্রয়োগের ফলে করোনার সামান্য জ্বরে পরিণত হচ্ছে। যা সহজে সেরে যাচ্ছে। ফলে করোনার মা’রণ ক্ষমতা কমাতে এই ওষুধ বিশেষভাবে সাহায্য করছে, এ কথা বলাই যায়।
গবেষণায় দেখে গেছে, করোনা ভাইরাস ফুসফুসের এক প্রকার ক্ষতি করছে,যার কারণে ফুসফুস কার্যক্ষমতা কমছে। সেই জন্যই যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে বা কোলেস্টরল রয়েছে, তাদের শরীরে করোনা সং’ক্রমণের ঝুঁ’কি সবচেয়ে বেশি। আর তাদেরই এই ওষুধ প্রয়োগ করলে মৃ’ত্যুর ঝুঁ’কি কমছে।
প্রফেসর ইয়াকোভ নাহমিয়াসের দাবি, ক্লিনিক্যাল স্টাডিজের মাধ্যমে এই তথ্য জানা গেছে। ওষুধের একটি নির্দিষ্ট কোর্স শেষ করলে আক্রান্তদের শরীরে করোনার ঝুঁ’কি কমে যাচ্ছে। কমছে এই ভাইরাসের মা’রণ ক্ষ’মতাও। এই ওষুধ করোনার সং’ক্রমণকে সাধারণ ঠান্ডা লাগার সমস্যায় পরিণত করছে।
গবেষকরা বলেছেন, ভাইরাস আসলে পরিজীবী। করোনা ভাইরাস শরীরে মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। যদি এর বি’রুদ্ধে লড়তে হয়, তাহলে একে উৎস থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। সেই কাজটাই এই ওষুধে করা হবে, দাবি গবেষকদের।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আ’ক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৬২ হাজার ৬৫৫ জনে। এদের মধ্যে মৃ’ত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৮১ হাজার ৩১৬ জনের।
বিশ্বে একক দেশ হিসেবে করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্ত ও মৃ’ত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে। বুধবার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে আ’ক্রান্তের সংখ্যা ৩৫ লাখ ৪৫ হাজার ৭৭ জন। মৃ’ত্যু হয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ১৪৩ জনের।
যুক্তরাষ্ট্রের পর করোনায় সবচেয়ে ক্ষ’তিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। আ’ক্রান্ত ও উভয় মৃ’ত্যু- উভয় বিবেচনায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত শ’নাক্ত ১৯ লাখ ৩১ হাজার ছাড়িয়েছে, মৃ’ত্যু হয়েছে ৭৪ হাজারের বেশি মানুষের।
আ’ক্রান্তের হিসেবে ভারত আছে তৃতীয় স্থানে। দেশটিতে আ’ক্রান্ত ৯ লাখ ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃ’ত্যু হয়েছে ২৪ হাজারের বেশি মানুষের।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সং’ক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়েছে প্রা’ণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সং’কটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।




