ডা. সাবরিনাকে বাঁ’চাতে চেয়েছিলেন তিনি, বিনিমিয়ে…
নিউজ ডেস্ক।। করোনাভাইরাস পরীক্ষা নিয়ে জা’লিয়াতির অ’পরাধে গ্রে’ফতার হওয়া জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে বর্তমান সং’কট থেকে বাঁ’চাতে ফেসবুকে নক করেছিলেন গ্রে’ফতার রেজওয়ানুল হক।
তবে বিনিময়ে অর্থ দাবি করেছিলেন তিনি। রেব জানায়, অ’ভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকে এমপি, সচিবসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে ফেসবুকে ভু’য়া অ্যাকাউন্ট খুলে প্র’তারণা করে আসছিলো।
এছাড়াও, তার বি’রুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন ও এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভু’য়া অ্যাকাউন্ট খুলে প্র’তারণা’র অ’ভিযোগ রয়েছে।
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কাদিরাবাদ বাজার থেকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তাকে গ্রে’ফতা’র করে রেপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)-১৩।
বুধবার দুপুরে র্যাব-১৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার মো. হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। রেব কর্মকর্তা হাফিজুর বলেন, মাগুরা-১ আসনের এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের নামে ভু’য়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে দীর্ঘদিন ধরে সে প্র’তার’ণা করছিলো। মেসেঞ্জারের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-নেত্রীদের বিভিন্ন কমিটিতে পদ পাইয়ে দেয়া, মা’মলা থেকে অব্যাহতি, ত্রাণের অনুমোদন পাইয়ে দেয়াসহ বিভিন্ন সুবিধার নিশ্চয়তা দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করত সে। টাকা পাঠানোর জন্য ডাচ বাংলা ব্যাংকের একটি হিসাব নম্বর দেয়া হতো।
এছাড়াও, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেনের নামেও ভু’য়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে সে দীর্ঘদিন ধরে একইভাবে প্র’তারণা করে আসছিলো। ওই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রায় চার থেকে পাঁচশ শিক্ষক ও শিক্ষা সচিবের বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচিতজনদের অসুস্থতা ও অপারেশনের কথা বলে অনুদান চেয়ে প্র’তারণা করে আসছিলো। তার প্র’তারণার শিকার হয়েছেন বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের সদস্য থেকে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এমনকি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ব্যক্তিরাও। অনুদান নেয়ার জন্য সে একটি ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর ব্যবহার করতো।
ত’দন্তে দেখা যায়, সরল বিশ্বাসে শিক্ষকরা তাকে সত্যিকারের শিক্ষা সচিব ভেবে বিকাশের মাধ্যমে লক্ষাধিক টাকা পাঠিয়েছেন। এছাড়াও সার্টিফিকেট পরিবর্তন করে দেয়া, লোভনীয় জায়গায় পোস্টিং, পদোন্নতি, পরীক্ষার ফল পরিবর্তন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা ইত্যাদির প্র’লোভন দেখিয়েও সে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা। অ’ভিযুক্ত রেজওয়ানুল হকের বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালি গ্রামে। প্রাথমিক জি’জ্ঞাসাবাদে প্র’তারণার অভিযোগ স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে রেব। র্যাব কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, ‘অ’ভিযুক্ত প্র’তারকের বি’রুদ্ধে আ’ইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। উৎস: বাংলাদেশ টুডে।






