329459

ঘু’ষ দেওয়ার কথা স্বীকার করেও নিজেকে ‘নি’র্দোষ’ বলছেন পাপুল

নিউজ ডেস্ক।। মানবপা’চারের অ’ভিযোগে কুয়েতে আ’টক সাংসদ (লক্ষ্মীপুর-২) শহীদুল ইসলাম পাপুল নিজেকে নি’র্দোষ দাবি করেছেন। একইসঙ্গে তিনি কুয়েতের কর্মকর্তাদের ঘু’ষ দেওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন। পাবলিক প্রসিকিউটরের কাছে ত’দন্তের সময়ে পাপুল এই বক্তব্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে আরব টাইমস।

পাবলিক প্রসিকিউটরের অফিস মনে করে এই অ’বৈধ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত সবার দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য মা’মলাটি ফৌজদারি আ’দালতে প্রেরণ করা উচিত।

কর্মকর্তাদের ঘু’ষ দেওয়ার বিষয়ে পাপুল পাবলিক প্রসিকিউটরকে জানান, তার কোম্পানিতে ৯,০০০ মানুষ কাজ করে এবং কুয়েতে কাজ করার জন্য একটি বৈধ আদেশ আছে।

তার দাবি, তিনি যে কাজ করেছেন সেটির সফলতা নিয়ে কেউ কোনও অ’ভিযোগ করতে পারবে না। কিন্তু কুয়েতের কিছু কর্মকর্তা তার কাজ আ’টকে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তাদের ঠেকানোর জন্যই তিনি ঘু’ষ দিয়েছেন।

পাপুল আরও বলেন, তার কোম্পানিতে যে ধরনের ইকুইপমেন্ট আছে সেটি আর কোনও কোম্পানির কাছে নেই এবং তিনি গুণগতমান সম্পন্ন সেবা প্রদান করেছেন, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এখানকার কিছু কর্মকর্তা। এদিকে প্রসিকিউটর অফিসের একটি সূত্র জানায়, এর সঙ্গে অনেক ব্যক্তি জড়িত। এদের সবার দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য অনেক সময়ের প্রয়োজন।

৭ জুন মানবপাচার, ভিসা জা’লিয়াতি ও অর্থপা’চারের অ’ভিযোগে সংসদ সদস্য পাপুলকে গ্রে’ফতার করে কুয়েতের পুলিশ। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পরে উঠে আসে কীভাবে বাংলাদেশের ওই সাংসদ মানুষকে প্রতারিত করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন এবং এই কাজে তাকে কুয়েতের প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তারাও সহায়তা করেছেন ঘু’ষ, উপহার ও অন্যান্য সুযোগের বিনিময়ে।

ত’দন্তে বের হয়ে এসেছে পাপুল প্রতি বছর বিভিন্ন ঘু’ষ, উপহার ও অন্যান্য খরচ বাদ প্রায় ৬০ কোটি টাকা নেট লাভ করতেন। এছাড়া পাপুল এবং তার কোম্পানির প্রায় ৫০ লাখ কুয়েতি দিনার (প্রায় ১৪০ কোটি টাকা) ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ ফ্রিজ করার জন্য ওই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অনুরোধ করেছেন কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউটর। বিদেশের মাটিতে একজন সংসদ সদস্য আ’টকের ঘটনা দেশের জন্য অত্যন্ত অসম্মানজনক বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন।

ad

পাঠকের মতামত