লিবিয়ায় কর্মী পাঠানো বন্ধ পাঁচ বছর, তবুও এতো লোক কিভাবে গেলো সেই তদন্ত করা উচিত
প্রবাস ডেস্ক।। সিভিল সোসাইটি ফর গ্লোবাল কমিটমেন্টস অন মাইগ্রেশন যৌথ বিবৃতিতে এ প্রশ্ন তুলে লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যাকারী চক্রকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে প্রয়োজনে বাংলোদেশকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা নিতে হবে। কারণ লিবিয়ার এই পাচারকারী চক্র ইউরোপে পাঠানোর নামে দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসীদের জিম্মি ও নিপীড়ন করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ চলার সুযোগ নিয়ে গত প্রায় এক দশক ধরে মানবপাচারকারী চক্র সেখানে সক্রিয়।
তারা ইউরোপে লোক পাঠানোর নামে এককজনের কাছ থেকে গড়ে তিন থেকে চারলাখ টাকা নিচ্ছে। প্রায়ই সেখানে দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিরা প্রাণ হারাচ্ছেন।
এভাবে যেন আর কোন অভিবাসী সেখানে প্রাণ না হারায় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাকে সেই দায়িত্ব নিতে হবে।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে জোর ভূমিকা পালন করতে হবে।
ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে এ বছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে বিশ লাখ মানুষ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়েছেন।
এভাবে সাগরপথ পাড়ি দিতে গিয়ে ১৯ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে অনেক বাংলাদেশি রয়েছেন।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলেই শুধু ৬৯৩ জন বাংলাদেশি এভাবে ইউরোপে প্রবেশ করতে গিয়ে আটক হয়েছেন।
যৌথ বিবৃতি প্রদানকারী সংস্থাগুলো হলো ব্র্যাক, বিএনএসকে, আইআইডি, ওকুপ, ওয়ারবী, বিএনপিএস, আসক, বিলস, বিএনডব্লিউএলএ, বোমসা, এসিডি, আওয়াজ, ফিল্মফরপিস, কর্মজীবি নারী, ডেভকম, ইমা, মাইগ্রেশন নিউজ এবং এসএনএ।




