320496

লাদেনের বুকে শেষ গু’লিটা চালিয়েছিলেন তিনিই, স্মৃতিচারণে সেই রাতের অপারেশন!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ২০১১ সালের ১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অপারেশন টিম ‘নেভী সিল’ সদস্যদের অ’ত’র্কিত আ’ক্রমণে নিহ’ত হন আন্তর্জাতিক জ’ঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার প্রধান উসামা বিন লাদেন।

তার মৃ’ত্যু’র পর কেটে গেছে নয় বছর। তবে বিশ্বের স্বচেয়ে আকাঙ্খিত এই জ’ঙ্গি নেতার মৃত্যু নিয়ে প্রায়ই বিভিন্ন রকম তথ্য উঠে আসে।

এবার লাদেনের মৃত্যু নিয়ে মন্তব্য করলেন নেভি সিলের এক সাবেক কর্মী। যিনি লাদেনের বুকে সরাসরি গু’লি চালিয়েছিলেন। ওই সদস্যে দাবি, উসামা বিন লাদেনকে এমন ভাবে মা’রা হয়েছিল যাতে তাকে চেনা যায়নি। গু’লিতে ঝাঁ’ঝরা করার পর লাদেনের ছি’ন্নভি’ন্ন মাথা কুড়িয়ে এক জায়গায় এনে জড়ো করে জোড়া দিতে হয়েছিল।

এমনই দাবি করেছেন নেভি সিলের সাবেক কর্মী রবার্ট ও’নীল। ‘দ্য ম্যান হু কিলড উসামা বিন লাদেন’ প্রামাণ্য চিত্রের সাবেক ওই নেভী সিল সদস্য ফক্স নিউজের পিটার ডুসিকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে কিভাবে তার দল প্রশিক্ষণ নিয়েছিল এবং সবচেয়ে মা’রা’ত্মক ও বি’প’জ্জনক সন্ত্রা’সীকে হ’ত্যা করেছিল সেই তথ্য।

আমেরিকান ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে জটিল মিশন ছিল জানিয়ে নীল ফক্সনিউজকে বলেন, মিশনটি দু’ভাগে বিভ’ক্ত ছিল। কয়েক সপ্তাহের প্রশিক্ষণ শেষে রাতের আঁধারে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে বিমানের ৮২ মিনিটের এই অভিযানে আমিও ছিলাম। আমাদের টা’র্গে’ট ছিল লাদেনকে মে’রে ফেলব। এটি একটি দায়িত্ব ছিল জানিয়ে ও’নীল ধ’রে নিয়েছিলেন যে তিনি আর বেঁচে ফিরতে পারবেন না। কারণ এটা ছিল অনেকটা ‘একমূখী মিশন’।

তার দাবি, তিনি একাই প্রাক্তন আল কায়দা প্রধানকে তিনটি গু’লি করেছেন। তার কথায়, ”অন্য পাঁচ–ছ’জন সিল সদস্যের সঙ্গে গু’লি করতে করতে সিঁড়ি দিয়ে উঠছিলেন। এমন সময় তিনতলায় গিয়ে দেখেন লাদেনের ছেলে খালিদ একে–৪৭ নিয়ে বেরিয়ে আসছে। খালেদকে আগেই টাকা দিয়ে বশ করেছিল মার্কিন গোয়ে’ন্দারা। তাকে ভিতর থেকে কেউ বলছে, ”‌খালেদ, ভিতরে এসো।’‌

আর খালেদ চিৎকার বলে, ‘‌মানে?‌’‌ আর তা থেকেই সিলের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় লাদেন কোথায় রয়েছে। সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে ঘরের তল্লা’শি শুরু করি। দেখি এক মহিলার কাঁধে ভর রেখে দাঁড়িয়ে লাদেন। সেকেন্ডের মধ্যে দু’‌বার ট্রিগার টিপি। পরেরটি মাথা লক্ষ্য করে। মাথা গুঁ’ড়িয়ে চারদিকে ছড়িয়ে যায় বিশ্বের সবচেয়ে ভ’য়’ঙ্কর সন্ত্রা’সী লাদেনের। সূত্র : আল সাফাক।

ad

পাঠকের মতামত