311110

আরব রাষ্ট্রগুলো বিশ্বাসঘাতক: এরদোগান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথিত একপেশে শান্তি প্রস্তাবের পক্ষে যেসব আরব দেশ মতামত দিয়েছে সেসব রাষ্ট্রকে বিশ্বাসঘাতক বলে আখ্যায়িত করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

শুক্রবার তুরস্কের পার্লামেন্টে দলীয় এমপিদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এরদোগান বলেন, শতাব্দীর সেরা চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকার প্রধান লক্ষ্য পূন্যময়ী নগরী আল কুদসকে (জেরুসালেম) গ্রাস করে নেয়া- আমরা কিছুতেই এটা মেনে নিব না।

তিনি বলেন, জেরুজালেমকে ইহুদিবাদীদের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্রকে যেসব আরব দেশ মেনে নিতে বলছে- তারা নিজেদের মানুষের সঙ্গে, নিজের দেশের সঙ্গে এবং মানবতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

কথিত শান্তি পরিকল্পনার নামে ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েলি অবৈধ বসতিকে বৈধতা দেয়ার বিষয়ে কোনো কথা না বলায় সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর সমালোচনা করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

মুসলিমবিশ্বের এ নেতা বলেন, ফিলিস্তিনিদের পাশে আরব দেশগুলো দাঁড়াতে এবং বিতর্কিত ও একপেশে ওই পরিকল্পনার বিষয়ে কথা বলতে ব্যর্থ হয়েছে। মারাত্মক কোনো পরিণতি হলে তারা দায়ী থাকবে বলে জানান এরদোগান।

এর আগে মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি ইস্যুতে শতাব্দীর সেরা চুক্তি নামে কথিত শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। এতে জেরুজালেমকে ইসরাইলের হাতে সমর্পণের বিষয় উল্লেখ রয়েছে। এটি প্রথম থেকেই প্রত্যাখ্যান করে আসছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ।

তুরস্কও এ প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, ফিলিস্তিনি ভূমি চুরি ও হত্যার বিষয়টি এ চুক্তির মাধ্যমে বৈধতা দেয়া হয়েছে। তবে এ চুক্তি ঘোষণার সময় হোয়াইট হাউসে আরববিশ্বের অন্য দেশগুলো উপস্থিত না থাকলেও সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও ওমানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সবশেষে এরদোগান উল্লেখ করেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে তুর্কিরা পূন্যময়ী নগরী আল কুদস ও পবিত্র মসজিদ আল আকসাকে ধারণ করে বাঁচতে চায়, তুরস্ক সবসময় ফিলিস্তিনের পাশেই থাকবে।

ad

পাঠকের মতামত