সাকিবের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যা বললেন টাইগার হেড কোচ
ভারতের মাটিতে কঠিন সিরিজ। অথচ এই সিরিজে খেলতে পারছেন না বাংলাদেশ তথা বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তার মানের একজন খেলোয়াড় না থাকা মানে দলের শক্তি অর্ধেক কমে যাওয়া। কিন্তু যা হবার তো হয়েই গেছে। এখন আর এসব ভেবে লাভ নেই।
ম্যাচ ফিক্সিংয়ের তথ্য গোপন করার অপরাধে সাকিবকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইসিসি। এর মধ্যে এক বছরের সাজা স্থগিত করা হয়েছে। সাকিবের আচরণের ওপর নির্ভর করছে ওই সাজা।
সাকিব নেই, ব্যক্তিগত কারণে তামিম ইকবালও যেতে পারেননি। তবে তামিমের চেয়ে সাকিবকেই বেশি মিস করবে বাংলাদেশ দল। কেননা তার বিকল্প হিসেবে দুজন খেলোয়াড় নিতে হয়। যেটা কিনা পুরো দলের পারফরম্যান্সেই প্রভাব ফেলে।
বাংলাদেশ দলের হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোও স্বীকার করছেন, সাকিবের না থাকাটা দলের বড় ক্ষতি। তিনি বলেন, ‘যে কেউ সাকিবকে মিস করবে। সে অসাধারণ একজন ক্রিকেটার, বিশ্বমানের অলরাউন্ডার। দলের সব খেলোয়াড়ই তার দিকে তাকিয়ে থাকে বিশেষ কিছুর জন্য। তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা আমাদের জন্য অনেক বড় ক্ষতি।’
তবে শাস্তি যেহেতু হয়েই গেছে, এখন যা আছে সেটা নিয়েই দলকে প্রস্তুত রাখতে চান তিনি। ডোমিঙ্গোর ভাষায়, ‘এটা মেনে নেয়া ছাড়া আর উপায় নেই। তবে সে একটা ভুল করে ফেলেছে এবং তারই মূল্য চুকাতে হচ্ছে। অবশ্যই সাকিবের না থাকাটা দলীয় পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলবে। তবে কোচ হিসেবে আমার দায়িত্ব হলো দলটাকে প্রস্তুত রাখা এবং সামনের বিশ্বকাপের জন্য তৈরি হওয়া।’
রোববার থেকে শুরু টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ডোমিঙ্গো অবশ্য একটি বিষয় ভেবে স্বস্তি পাচ্ছেন। বাংলাদেশ দলে যেমন সাকিব নেই, ভারতেরও নেই বিরাট কোহলি। তিনি টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে বিশ্রামে গেছেন।
ডোমিঙ্গো বলেন, ‘এই সিরিজে বিরাট কোহলি নেই, সাকিব আল হাসানও নেই। ভারতের জন্য সাকিবের না থাকা একটা সুবিধা। বাংলাদেশের জন্য কোহলি না থাকাটাও তাই। তবে কোহলি খেললে ব্যাপারটা দারুণ হতো। কারণ আমরা বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলতে চাই।’
কোহলি থাকলে বরং ভালো হতো, উল্লেখ করে বাংলাদেশ কোচ বলেন, ‘আপনারা বাংলাদেশ দলের যেকোনো খেলোয়াড়কে জিজ্ঞাসা করুন। তারা কোহলির বিপক্ষে নিজেদের স্কিলের পরীক্ষা দিতে চাইবে। তাই কোহলির না থাকাটা আমাদের জন্য হতাশারই বলা চলে। তবে তার ওয়ার্কলোড এবং বিশ্রামের বিষয়টিও আমরা বুঝতে পারি। সারাবছর সে যত ক্রিকেট খেলে, একজন কোচ হিসেবে তার এই বিশ্রাম দেখে আমি খুশিই বলা চলে।’




