আশরাফুল রাজ্জাকের সাথে বিপ টেস্টে উত্তীর্ণ হলেন না নাসিরও
জাতীয় লিগ শুরুর আগে বিপ টেস্ট নিয়ে অনেক কথাই বলা হচ্ছে। এবার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর শুরুর আগে থেকে বিপ টেস্ট নিয়ে নানা কথা। সিনিয়র ক্রিকেটারদের অনেকেই এই বিপ টেস্ট নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন। তাদের দাবি ছিল, আসর শুরুর আগে স্বল্প সময়ের নোটিশে বিপ টেস্ট দিয়ে তাদের উত্তীর্ণ হওয়া কঠিন।
এবং তাদের অনুমান সত্য হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বিসিবির বেঁধে দেয়া শর্ত মেনে বিপ টেস্টে উত্তীর্ণ হতে পারেননি চার সিনিয়র ক্রিকেটার তুষার ইমরান, মোহাম্মদ আশরাফুল, আব্দুর রাজ্জাক এবং ইলিয়াস সানি। শুধু তারাই নন। মধ্য তিরিশ টপকে যাওয়া আশরাফুল (৩৫), তুষার (৩৫) ও রাজ্জাকের (৩৭) সাথে বিপ টেস্টে উৎরে যেতে পারেননি ২৭ বছরের নাসির হোসেনও।
আগে অনেক কথা বলা হলেও শেষ অবধি বিপ টেস্টে মানদন্ড বেঁধে দেয়া হয়েছিল ১১। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সর্বাধিক স্কোরার, সর্বাধিক সেঞ্চুরি ও হাফ সেঞ্চুরির মালিক তুষার ইমরান বিপ টেস্টে স্কোর ৮.৯। এছাড়া মোহাম্মদ আশরাফুল ৯.৫, রাজ্জাক ৯.৬, মোহাম্মদ শরীফ ১০.৬ এবং ইলিয়াস সানি ৯.২ পয়েন্ট স্কোর করেন।
এছাড়া বাঁ-হাতি স্পিনার আরাফত সানি ১০.১১, পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি ১১.২ সোহরাওয়ার্দী শুভ ১১.৭ ও শাহরিয়ার নাফীস ১১.২ মোটামুটিভাবে বিপ টেস্টে উৎরে গেছেন। মধ্য তিরিশের ক্রিকেটারদের সাথে ২৭ বছরের যুবা নাসির হোসেনের বিপ টেস্টে এত কম স্কোর করা দেখে হতাশ ও বিস্মিত সবাই। তার মানে বোঝাই যায় নাসির ফিটনেস সচেতন নন।
বিসিবির বেঁধে দেয়া বিপ টেস্টের স্কোর ছুঁতে পারেননি, শুনে নিশ্চয়ই ভাবছেন- যারা ওই স্কোর তুলতে পারেননি তারা বুঝি এবার জাতীয় লিগ খেলতে পারবেন না। বিষয়টা তেমন নয়। জাতীয় দলের নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন জানালেন, আজ যারা বিপ টেস্টে উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তাদের জন্য থাকবে আরও তিনটি সুযোগ।
নির্বাচক বাশার বলেন, ‘গতবার যে স্কোরটা ছিল, এবার তারচেয়ে একটু বেশি। এটা খেলোয়াড়রা সবাই জানত। নতুন কিছু না। আলোচনা একটু বেশি হয়েছে হয়ত, যেহেতু লেভেলটা একটু বাড়ানো হয়েছে; কিন্তু আমার মনে হয় যে যাই বলুক খেলোয়াড়রা কিন্তু এটি খুব ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। এটা খেলোয়াড়দের জন্যই ভালো। তবে সবাই এটা উপলব্ধি করতে পেরেছে যে কারণে আমি খুবই খুশি।’
হাবিবুল বাশার আরো বলেন, ‘যতদূর দেখলাম এখন পর্যন্ত ঢাকাতে, ঢাকার বাইরের ফলাফল আমরা এখনও হাতে আসেনি। ঢাকাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৬ পারসেন্ট পাশ করে গেছে। যে লক্ষ্যটা দেয়া হয়েছিল, সেটা ফুলফিল করতে পেরেছে। আমরা কিন্তু এটা বলেছি যে যদি কেউ ফুলফিল করতে না পারে আমরা দ্বিতীয়বার, তৃতীয়বার নেব, ফোর্থটাইম নেব। সুযোগটা থাকবে ওই লেভেলে আসার। আমরা একটা স্ট্যান্ডার্ড ফলো করার চেষ্টা করছি, কালচার তৈরি করার চেষ্টা করছি। আমি আশা করছি সবাই এটা বুঝতে পারবে। আমার খেলোয়াড়রা বুঝতে পেরেছে তো আমি খুবই খুশি।’




