ক্যাসিনোতে সংশ্লিষ্ট নেপালিদের পালাতে সহায়তা করায় ২ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
রাজধানীর ক্লাবগুলোতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে নেপাল নাগরিকদের পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশ সদর দফতরে নিজ কার্যালয়ে ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্র্যাব) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।
কমিশনার নাম উল্লেখ না করলেও সূত্র অনুযায়ী বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন- রমনা থানার কনস্টেবল দীপঙ্কর চাকমা ও ডিএমপিতে কর্মরত এএসআই মিঠু।র্যাব গত ১৮ সেপ্টেম্বর ফকিরাপুল ইয়ংমেনস, ওয়ান্ডারার্স ক্লাব এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্রে অভিযানে ক্যাসিনো থাকার বিষয়টি প্রকাশিত হয়। যুবলীগের বিভিন্ন নেতা নিয়ন্ত্রণাধীন এসব ক্যাসিনো পরিচালনায় বিদেশিরা কাজ করতেন বলেও খবর বের হয়।
ওই রাতেই সেগুনবাগিচার ভবন সামিট হাসান লজের সিসি ক্যামেরায় একটি ভিডিওচিত্র আসে সোশাল মিডিয়ায়, যে ভবনে বেশ কয়েকজন নেপালি থাকতেন।ভিডিওতে দেখা যায়, নেপালিরা ওই বাড়ি ছাড়ার আগে সেখানে ঢোকেন কয়েকজন, তাদের একজনের হাতে ওয়াকিটকি ছিল।
ওয়াকিটকি হাতে ওই ব্যক্তি সাদা পোশাকে থাকা পুলিশ সদস্য বলে গণমাধ্যমে খবর এলেও তা নাকচ করেছিলেন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।তিনি মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, “তারা যে পুলিশ সদস্য, এখন পর্যন্ত তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”
তার দুদিন পরই দুজনের পুলিশ পরিচয় নিশ্চিত করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, “ভিডিও ফুটেজ দেখে দুই পুলিশ সদস্যের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়েছে।”এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় ক্যাসিনো পরিচালনার ক্ষেত্রে যদি কোনো পুলিশ সদস্য লাভবান হওয়ার তথ্য ও অভিযোগ ওঠে তবে তদন্ত করা হবে। তদন্তে প্রমাণ হলে প্রচলিত বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




