ভাগ্নিকে নিয়ে উধাও সেই খালু ভৈরবে গ্রেপ্তার
সৃষ্টির শুরু থেকেই প্রেম-ভালোাবাসা কোনও বাধা নিষেধ মানেনি। যা কিনা মানুষকে অন্ধ করে দেয়। সমাজ যতোই বাঁকা চোখে দেখুক না কেনো, প্রেম-ভালোবাসা কোনও সম্পর্ক, বয়স কিংবা কটু কথা এসবের ধার দ্বারে না।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার বীর পাকুন্দিয়ায় স্ত্রীকে রেখে স্কুল পড়ুয়া ভাগ্নিকে নিয়ে উধাও হয়েছিলেন আপন খালু আব্দুল হক। ঘটনার ৩ মাস পর শনিবার (২৪ আগস্ট) রাতে বৈরবের পঞ্চবটি এলাকার জনৈক ধর মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বৈরব থানা পুলিশ।
জানা যায়, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জামসাইদ এলাকার সবজি বিক্রেতা আব্দুল হক গত জুনে নিজের বউকে ফেলে তার বড় বোনের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে উধাও হন। এরপর থেকে তারা কখনো ভৈরব, কখনো রায়পুরা এলাকায় আত্মগোপনে থেকে বিয়ে না করেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করতে থাকে।
মেয়ের মা ও খালা ভৈরবে এসে পঞ্চবটি এলাকায় মেয়ের ছবি দেখিয়ে তার সন্ধান চাইলে ওই এলাকার ধন মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আব্দুল হকের স্ত্রী জানান, গত তিন মাস যাবত তিনি আমাদের কোনো খোঁজ-খবর না নিয়ে আমার বোনের মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে আসে। আমি আমার স্বামীর এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ওই মেয়ের মা বলেন, তিনি আমার মেয়েকে ফুঁসলিয়ে এনেছেন। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে খবর পেয়ে ভৈরবে ছুটে আসি। এসে দেখি এখানে এলাকাবাসীর হাতে তারা অসামাজিক কাজের জন্য আটক রয়েছে। আমি তার শাস্তি কামনা করছি। ভৈরব থানার এএসআই আসাদ মিয়া জানান, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীর জিম্মায় থাকা অবস্থায় আব্দুল হক ও মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




