ওয়াসার পানির ৯৯ পার্সেন্ট ড্রিংকেবল না : এলজিআরডি মন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক।। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘ওয়াসার পানির ৯৯ পার্সেন্ট ড্রিংকেবল ওয়াটার না, নন-ড্রিংকেবল ওয়াটার। ৯৯ পার্সেন্ট পানি ব্যবহার হয় ধোয়ামোছা, গোসল করাসহ ইত্যাদি কাজে। ওয়ান পার্সেন্ট পানি পানের কাজে ব্যবহার হয়।’ আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অগ্নিনির্বাপন প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘একটা সময় ওয়াসার পানি সঙ্কটের কারণে বহুদিন গোসল না করেই অফিস করেছি। ঢাকা ওয়াসা নিয়ে ইদানিং বেশ কথাবার্তা হচ্ছে। আমি এই শহরে (ঢাকা) বসবাস করি, চট্টগ্রামে বসবাস করি, আমি গ্রামে বসবাস করি। যেহেতু রাজনীতি করি বাংলাদেশের বেশিরভাগ জায়গায় যাই। আমি ভেরি অনেস্টলি বলি, নট অ্যা সেন্স অব অ্যানি পারশিয়াল অর পলিটিক্যাল। আমরা ২০০৯ সালে যখন ক্ষমতায় আসি, আমি বহুদিন গোসল না করে অফিস করেছি। গুলশানের মতো জায়গায় আমি বসবাস করি। যেটাকে নম্বর ওয়ান পশ এরিয়া হিসেবে বিবেচনা করা হয়।’
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি চট্টগ্রামে খুলশীতে থাকি। সেখানেও দেখা গেছে যে, আমি গোসল করতে পারি নাই। গাড়িতে করে পানি আনিয়ে ব্যবহার করছি। চট্টগ্রামের সিডিএ এলাকাতে তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত ওয়াসার কোনো পানি যায়নি। হালিশহর এলাকাতে পানি পাওয়া যাবে না- এটা সবার মাইন্ডসেট হয়ে গেছে, যদি আসে এটা একটা আশ্চর্য ধরনের ঘটনা ঘটবে।’
সরকারের এ মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা শহরে গত সাত থেকে আট বছরের মধ্যে পানি আমার বাসায় আসেনি, এমন কোনো ঘটনা নাই। আর অ্যাপারেন্টলি পানি দেখে আমার কাছে কখনই মনে হয় নাই যে এই পানিটার মধ্যে ময়লা আছে। আগের তুলনায় পানির মান উন্নত হয়েছে।’ মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এখানে নির্মাণ শ্রমিককে দেখি পাইপ লাইনের পানি জগে নেয় এবং খায়। এক বছর পর্যন্ত তারা অসুস্থ হয় নাই। ঘটনাটা হলো কে খাবে, কে খাবে না- এটা ডিপেন্ড করবে আপনি কতটুকু রিস্ক নেবেন।’
তিনি বলেন, ‘কোথায় পানি দূষিত হয়, ওয়াসার পাইপ লাইনের সোর্স থেকে আমরা পানি এনেছি। আমরা দেখেছি যেখানে উৎপাদন হয় সেখানে পানি ঠিক আছে। প্রত্যেক বাড়িতে তো রিজার্ভার আছে, রিজার্ভার আপনি কতটুকু মেইনটেন করতে পারেন? আর ইউ শিওর ইউ কিপ ইট হাইজেনিক। যদি না রাখতে পারেন সেখানে দূষণ হতে পারে।’ সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব এস এম গোলাম ফারুকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।




